প্রসঙ্গত, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদের প্রতিবাদ কার্যত নজিরবিহীন অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয় মালদহের কালিয়াচকের। বুধবার রাতে এসআইআরের কাজে যাওয়া জুডিশিয়াল অফিসারদের রাতভর আটকে রাখে সেখানকার উত্তেজিত জনতা। আর এই ঘটনায় এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, বছর তিন আগে দিল্লিতে দাঙ্গার পর কট্টরপন্থী ইসলামির সংগঠন পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া বা পিএফআই-এর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল কেন্দ্র। তাদের সমস্ত অর্থ সাহায্য বন্ধ করা হয়েছিল। সেসময় মিম সুপ্রিমো আসাদউদ্দিন ওয়েইসির ব্যক্তিগতভাবে এর বিরোধিতা করেছিলেন। অর্থাৎ মিম যে দেশে অশান্তির নেপথ্যে ইন্ধন জোগায়, তা বোঝা গিয়েছিল সেই সময় থেকেই। এবার ভোটের আগে বঙ্গে এসআইআর নিয়ে এত অশান্তিতে সেই মিম নেতার গ্রেফতারি তার সুস্পষ্ট প্রমাণ।
advertisement
শুক্রবার দক্ষিণ দিনাজপুরের হরিরামপুর বিধানসভা কেন্দ্রে দলীয় প্রার্থী, রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী বিপ্লব মিত্রের সমর্থনে জনসভা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই জনতার উদ্দেশে বলেন, ”একটা কথা আজ বলছি সবাইকে, শুনে রাখুন। মালদহে যারা সেদিন অশান্তি করেছিল, জুডিশিয়াল অফিসারদের আটকে রেখেছিল, সেটা খুবই অন্যায় হয়েছে। কিন্তু এই অশান্তির পিছনে যারা দায়ী, যে মূল অভিযুক্ত তাকে কিন্তু ধরেছে আমাদের সিআইডি। বাগডোগরা বিমানবন্দর দিয়ে পালাচ্ছিল, মুম্বই থেকে এসেছিল। আমি বলেছিলাম, বহিরাগতদের ঢুকিয়ে এখানে অশান্তি করানো হয়েছে। গ্রেফতার তো হল মিমের নেতা।”
