রাজ্য পুলিশ সূত্রে খবর, আগে এই ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা বা কমিশনারেটে তদন্ত হত। সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশ সুপার বা পুলিশ কমিশনার রিপোর্ট দিতেন কমিশনে৷ এবার সরাসরি ভবানী ভবনের সাইবার থানায় এফআইআর করে তদন্ত হবে৷
advertisement
প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ মার্চেই ঘোষণা করতে পারে জাতীয় নির্বাচন কমিশন৷ এই পর্বে চার দফায় রাজ্যজুড়ে ভোট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভোট ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যে জারি হয়ে যাবে আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধি। নির্বাচনী প্রচারের জন্য কমপক্ষে ২২ দিন সময় পাবে সব রাজনৈতিক দলেরা।
আরও পড়ুন: রহস্য বাড়াচ্ছে একটা ‘বাইক’! হাওড়ার শুটআউটে প্রোমোটার খুন…নজরে হারুন-রোহিতের ‘কানেকশন’
নির্বাচনী প্রচার ঘিরে যাতে কোনও ভাবেই গুজব না ছড়ায়, বিশৃঙ্খলা না তৈরি হয়, সেই জন্যই কড়া মনোভাব। মনে করা হচ্ছে, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআরের তালিকা প্রকাশের পরেই নির্বাচনী দিনক্ষণ প্রকাশ করতে পারে কমিশন।
প্রসঙ্গত, আদালতের শুনানিতে ফের উঠল এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রসঙ্গ৷ মঙ্গলবারের শুনানির পরে বুধবারও সর্বোচ্চ আদালতে কমিশনের তরফে মেনশন করা হল বাংলার এসআইআর মামলার৷ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী ডিএস নাইডু, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড নিরপেক্ষ নথি হিসেবে গৃহীত হওয়ার ক্ষেত্রে আশঙ্কা জানান। উত্তরে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে দেয় ঠিক কোন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড৷
বপক্ষের বক্তব্য শুনে রায়ে কিছুটা পরিমার্জন করে সর্বোচ্চ আদালত৷ জানানো হয়, ‘‘ইআরও এবং এইআরওদের কাছে ১৫ ফেব্রুয়ারির আগে যে সব নথি জমা পড়েছে, সেই সব নথি তাঁরা আগামিকাল বিকেল ৫টার মধ্যে প্রিসাইডিং অফিসারের হাতে হস্তান্তর করবেন ERO এবং AERO রা৷ মাধ্যমিকের পাশ সার্টিফিকেটের সঙ্গে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড জমা দেওয়া যেতে পারে বয়সের এবং অভিভাবকত্বের প্রমাণপত্র হিসেবে।’’
