পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি গুজরাতের একটি ঠিকাদারি সংস্থার হয়ে সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন তাঁরা। নয় জনের একটি দল ট্রলার নিয়ে গভীর সমুদ্রে পাড়ি দেয়। অভিযোগ, গভীর রাতে ক্লান্তিতে টলারের সকলে ঘুমিয়ে পড়লে সেটি ভেসে ভেসে পাকিস্তানের জলসীমায় ঢুকে পড়ে। এরপরই পাকিস্তানের সীমান্তরক্ষী বাহিনী তাঁদের আটক করে।
advertisement
৩৭ বছর ধরে ইরান শাসন করা সর্বোচ্চ নেতা! জানেন, কে ছিলেন আয়াতোল্লা আলি খামেনেই?
নেতৃত্বের শূন্যতায় বংশধরই ভরসা! আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের পরে ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা কে?
পরিবারের দাবি, ধৃতরা একাধিকবার বোঝানোর চেষ্টা করেন যে মাছ ধরতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃত ভাবে সীমান্ত অতিক্রম করেছেন। কিন্তু সেই আবেদন গ্রহণ করা হয়নি। এরপর তাঁদের পাকিস্তানের ল্যান্ডি জেলে পাঠানো হয়। গত তিন বছর ধরে সেখানেই বন্দি রয়েছেন লালটু ও বিকাশ।
দুই পরিবারের পক্ষ থেকে রাজ্য সরকার, কেন্দ্রীয় সরকার এবং স্থানীয় থানায় একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও এখনও পর্যন্ত মুক্তির কোনও সুরাহা হয়নি বলে অভিযোগ। পরিবারের কাতর আবেদন, দ্রুত কূটনৈতিক স্তরে উদ্যোগ নিয়ে তাঁদের ঘরে ফিরিয়ে আনা হোক।
এ প্রসঙ্গে রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিক কল্যাণ বোর্ডের চেয়ারম্যান ও রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তাঁর জানা ছিল না। তিনি জানান, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট দফতরের মাধ্যমে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করবেন, যাতে দুই মৎস্যজীবীকে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়।
