পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোনারপুর থানা এলাকার বাসিন্দা এক তরুণীর সঙ্গে একই কলেজে পড়াশোনা করতেন গৌতম গায়েন। জয়নগর থানা এলাকার বাসিন্দা গৌতমের সঙ্গে কলেজ পড়াকালীন দু’জনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অভিযোগ, সেই সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে মাঝেমধ্যেই তরুণীর কাছ থেকে টাকা নিত গৌতম। সম্প্রতি ব্যবসার জন্য পাঁচ লক্ষ টাকা দাবি করে সে।
advertisement
‘একেবারেই ঠিক নয়’ এ আর রহমানের মন্তব্য ঘিরে সরব অনুপ জলোটারাও! বিরোধিতায় জাভেদ আখতার, শোভা দে, শান
টাকা দিতে অস্বীকার করায় দু’জনের মধ্যে বিবাদ শুরু হয়। তরুণী সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করতেই অভিযোগ অনুযায়ী আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখানো হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, দু’জনের গোপন ছবি প্রকাশ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। একাধিকবার শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ।
নির্যাতিতার দাবি, বাড়িতে গিয়েও মারধর করা হয়। আতঙ্কে তিনি সোনারপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে প্রথমে গৌতম গায়েনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে হাসু রহমান লস্কর ও মনিরুল শেখ নামে আরও দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়।
তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ উদ্ধার করেছে একটি সাত মিলিমিটার ইমপ্রোভাইজড পিস্তল ম্যাগাজিনসহ, একটি দেশি এক শট আগ্নেয়াস্ত্র এবং তিন রাউন্ড সাত মিলিমিটার জীবিত গুলি। এই ঘটনায় আর্মস অ্যাক্টে মামলা রুজু করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র কোথা থেকে এল এবং তারা কোনও অস্ত্র পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
