এই উদ্যোগের পথপ্রদর্শক শিক্ষক শংকর হালদার জানিয়েছেন, এই এলাকার মূল সমস্যা দারিদ্র্যতা। অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রীর পরিবারের আলাদা করে ছেলে-মেয়েদের টিউশন দেওয়ার সামর্থ নেই। তাছাড়া কোয়ালিটি শিক্ষণও তারা পায় না। ফলে নতুন এই ভাবনা ভাবা হয়েছে খুদে পড়ুয়াদের জন্যই।

আরও পড়ুনঃ আপনি কি ঘুরতে ভালবাসেন? কলকাতার কাছেই ডোকরা গ্রামে একবার ঢুঁ মেরে আসুন, শান্ত পরিবেশে স্বল্প খরচে থাকা-খাওয়া

advertisement

নতুন ব্যবস্থায় স্কুল সময়ের শেষে টিউশন দেওয়া হচ্ছে। ফলে খুশি ছাত্র-ছাত্রীরা, খুশি অভিভাবকরাও। এই ব্যবস্থার নাম দেওয়া হয়েছে ‘সাপোর্ট স্কুল’। ভৌগোলিক প্রতিকূলতার কারণে সুন্দরনের বহু ছাত্রছাত্রী নিয়মিত পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ে। সেই বাস্তবতা মাথায় রেখেই এই ‘সাপোর্ট স্কুল’। শ্রীধরনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল শেষের পর পড়ুয়াদের সহায়ক শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে।

View More

আরও পড়ুনঃ জুয়ার ঠেকে মর্মান্তিক কাণ্ড, যুবককে মারধর, পেটে ছুরি ঢুকিয়ে…! ক্যানিংয়ে রাতের ‘অবৈধ আড্ডা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

advertisement

বুক-গ্রান্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে স্কুলে। যাতে বইপত্র ও শিক্ষাসামগ্রীর অভাবে কোনও পড়ুয়ার পড়াশোনা থমকে না যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এই উদ্যোগ বহু পরিবারের আর্থিক চাপ অনেকটাই লাঘব করবে।

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

শংকর হালদার জানান, “সুন্দরবনের ছাত্রছাত্রীরা প্রতিভাবান। শুধু প্রয়োজন সঠিক দিকনির্দেশ ও সহায়তা। এই সাপোর্ট স্কুল তাদের সেই সহায়তাই দেবে।” স্থানীয়রা এই বিষয়ে জানিয়েছেন, এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে পড়ুয়াদের স্কুলছুট হওয়ার হার কমাতে বড় ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি নিয়মিত পাঠচর্চা ও সহায়ক শিক্ষার মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে ভাল ফল করতে পারবে বলেও আশাবাদী সকলে। স্কুল টাইমের বাইরে এই ‘সাপোর্ট স্কুল’ ইতিমধ্যে নজর কেড়েছে সকলের।

advertisement