TRENDING:

Sundarban News: জলে কুমির, ডাঙায় বাঘ! জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সুন্দরবনের খাঁড়িতে মাছ-কাঁকড়া সংগ্রহ, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আড়ালে লুকিয়ে কঠিন বাস্তব

Last Updated:

Sundarban News: সুন্দরবনের কুঁকড়েখালি নদীতে মাছ-কাঁকড়া সংগ্রহ করে জীবিকা চালান স্থানীয় মৎস্যজীবীরা। পদে পদে রয়েছে বাঘ, কুমিরের পেটে যাওয়ার ভয়। অনিশ্চয়তাকে সঙ্গী করেই সুন্দরবনের প্রান্তিক মানুষের জীবন এগিয়ে চলেছে।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
হিঙ্গলগঞ্জ, উত্তর ২৪ পরগণা, জুলফিকার মোল্যা: জীবনের ঝুঁকি নিয়েই সুন্দরবনের খাঁড়িতে মাছ-কাঁকড়া সংগ্রহ, বাঘের আতঙ্ক নিত্যসঙ্গী। সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আড়ালে লুকিয়ে আছে এক কঠিন বাস্তব। ঘন জঙ্গল, নদী-খাঁড়ির বিস্তীর্ণ জাল আর তার মাঝেই টিকে থাকার লড়াই। উত্তর ২৪ পরগণা জেলার বসিরহাট মহকুমার হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের কালিতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের ২ নম্বর সামশেরনগর গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে কুঁকড়েখালি নদী। নদী পার হলেই কুঁকড়েখালি জঙ্গল সুন্দরবনের গভীর অরণ্যের অংশ।
advertisement

এই জঙ্গলের একেবারে লাগোয়া এলাকায় বসবাস কয়েক’শ পরিবারের। যাদের প্রধান জীবিকা মাছ ও কাঁকড়া সংগ্রহ। পাশাপাশি লেবুখালী সাহেব খালি-সহ বিস্তীর্ণ এলাকা থেকে অনেকেই মাছ ধরতে যান।

আরও পড়ুনঃ ধানের বিকল্প লঙ্কা! একবার রোপণে টানা ৭-৮ মাস ফলন, বদলাচ্ছে চাষিদের ভাগ্য! বিদেশের বাজারে বসিরহাটের লঙ্কার চাহিদা তুঙ্গে

advertisement

প্রতিদিন ভোরে ছোট নৌকা নিয়ে নদী ও খাঁড়িতে পাড়ি দেন স্থানীয় মৎস্যজীবীরা। পুরুষদের পাশাপাশি অনেক মহিলাও এই কাজে যুক্ত। খাঁড়ির জলে জাল ফেলেই শুরু হয় জীবিকার লড়াই। মিন, বাগদা চিংড়ি, বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও কাঁকড়া ধরে কোনওমতে সংসার চালান তারা।

View More

স্থানীয় মৎস্যজীবী দীপক মণ্ডল জানান, গভীর জঙ্গলে গিয়ে মিন ও বাগদা সংগ্রহ করতে পারলে সপ্তাহে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় সম্ভব। তবে সেই আয় সব সময়ের জন্য নয় এবং অনিশ্চিত ও ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ, এই জল-জঙ্গলই রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের বিচরণভূমি। যেকোনও মুহূর্তে জঙ্গল থেকে বেরিয়ে নদীর ধারে চলে আসতে পারে বাঘ।

advertisement

আরও পড়ুনঃ কলেজ শেষ করেই কর্মসংস্থান চান! পথ দেখাচ্ছে নন্দীগ্রাম, জানুন বিস্তারিত

অতীতে বহু মৎস্যজীবী বাঘের আক্রমণের শিকার হয়েছেন। কখনও মাছ ধরার সময়, কখনও নৌকায় বসেই মৃত্যুর মুখে পড়তে হয়েছে তাদের। শুধু তাই নয়, রাতের অন্ধকারে বাঘ লোকালয়ে ঢুকে পড়ার ঘটনাও নতুন নয়। ফলে সর্বক্ষণ এক চাপা আতঙ্কে দিন কাটে এলাকাবাসীর। প্রাকৃতিক দুর্যোগও এই অঞ্চলের নিত্যসঙ্গী। বারবার নদী ভাঙন, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ এলাকা। অনেকের ভিটেমাটি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। তবুও জীবিকার অন্য পথ না থাকায় মানুষকে ফিরতেই হয় সেই জঙ্গল ও খাঁড়ির কাছে।

advertisement

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
পূর্বপুরুষের রেসিপিতেই বাজিমাত! হ্যামিল্টনগঞ্জের শুভঙ্করের ঘুগনির দোকানে ভিড় দেখার মতো
আরও দেখুন

জলে কুমির, ডাঙায় বাঘ-এই বাস্তবতাকে মেনে নিয়েই সুন্দরবনের মানুষ বাঁচার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। ভয়, অনিশ্চয়তা আর প্রকৃতির সঙ্গে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করেই কালিতলা-সামশেরনগর সহ সুন্দরবনের প্রান্তিক মানুষের জীবন এগিয়ে চলেছে। কারণ, আতঙ্ক থাকলেও পেটের দায় বড় দায়। আর সেই দায়ই প্রতিদিন তাদের নামিয়ে দেয় খাঁড়ির জলে।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Sundarban News: জলে কুমির, ডাঙায় বাঘ! জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সুন্দরবনের খাঁড়িতে মাছ-কাঁকড়া সংগ্রহ, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আড়ালে লুকিয়ে কঠিন বাস্তব
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল