জানা যাচ্ছে, নবম শ্রেণির ছাত্র মেহবুব মুর্শিদ (১৩) বুধবার তার বাবা-মায়ের কাছে মোবাইল কিনে দেওয়ার জন্য বায়না ধরে। কিন্তু ফোন কিনে দেবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় বাবা-মা। এরপরেই রাগ করে সন্ধ্যায় বাড়ি ছাড়ে সে। রাতে ছেলে বাড়ি না ফেরায় মাথায় দুশ্চিন্তার আকাশ ভেঙে পড়ে পরিবারের। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেন তাঁরা। কিন্তু কোথাও ছেলেকে খুঁজে না পেয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পরিবারের লোকজন কুমারগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
advertisement
নাবালক ছেলের নিখোঁজ হওয়ায় যখন পরিবারের লোকজনের দুশ্চিন্তায় নাওয়া-খাওয়া, ঘুম উড়ে গিয়েছে, সেই সময় নবম শ্রেণির মেহবুব শুক্রবার সকালে গঙ্গারামপুর পৌঁছে কিনে ফেলে সাধের মোবাইল। টিফিনের জমানো চার হাজার টাকায় মোবাইলটি কেনে সে। শুধু তাই নয়, কলকাতা যাওয়ার উদ্দেশ্যে গাড়ির টিকিটও কাটে।
কীভাবে উদ্ধার?
শুক্রবার বেলার দিকে গঙ্গারামপুর শহরের চৌপথি এলাকায় এক নাবালককে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখে সন্দেহ হয় ট্রাফিক পুলিশের। এরপর গঙ্গারামপুর ট্রাফিক ওসি প্রশান্ত কুমার দাস-সহ অন্যান্য ট্রাফিক কর্মীরা নাবালককে জিজ্ঞাসাবাদ করে। আর তাতেই বেরিয়ে আসে আসল সত্য।
নাবালক জানায়, বাবা-মা মোবাইল কিনে না দেওয়ায় বাড়ি থেকে পালিয়েছে সে। সেই কথা শুনে চমকে ওঠেন ট্রাফিক পুলিশরা। এরপরেই তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় তার বাড়িতে। নিখোঁজ ছেলেকে পাওয়া গিয়েছে শুনে চৌপথি ছুটেন বাবা-মা ও পরিবারের লোকজন। ঘরের ছেলেকে ঘরে ফরিয়ে নিয়ে যান তাঁরা।
