সকাল হতেই কারখানায় শুরু হয়ে যায় কাজ। গভীর রাত পর্যন্ত চলে রং মেশানো, শুকোনো, ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নেওয়া এবং প্যাকেটজাত করার প্রক্রিয়া। নাওয়া-খাওয়া ভুলে কারিগররা দিনরাত এক করে আবির তৈরির কাজ করে চলেছেন। কারখানার ভিতরে ঢুকলেই চোখে পড়ে রঙের বাহার। টকটকে লাল, উজ্জ্বল হলুদ, সবুজ, নীল, গোলাপি, কমলা, বেগুনি ও সাদা সহ মোট আট ধরনের আবির তৈরি হচ্ছে এখানে। এবারের বিশেষ আকর্ষণ রাসায়নিকমুক্ত সুগন্ধি আবির।
advertisement
আরও পড়ুনঃ ফুটপাথের দোকানে এবার সিরিয়াল নম্বর, পুরকর্মীদের জন্য বিশেষ পোশাক-পরিচয়পত্র! একাধিক উদ্যোগ পুরসভার
ক্রেতাদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে সম্পূর্ণ কেমিক্যালবিহীন উপাদান দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে এই আবির। ফলে ত্বকের কোনও ক্ষতির সম্ভাবনা নেই বলেই দাবি প্রস্তুতকারকদের। বর্তমানে সচেতনতার কারণে অনেকেই কৃত্রিম রঙের পরিবর্তে প্রাকৃতিক ও নিরাপদ আবিরের দিকেই ঝুঁকছেন। সেই কারণেই আবিরের চাহিদা বেড়েছে চোখে পড়ার মতো।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাশাপাশি কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা এখানে আবির কিনতে আসছেন। কাকদ্বীপ, নামখানা, জয়নগর, ডায়মন্ড হারবার, ক্যানিং, পাথরপ্রতিমা, বজবজ সহ একাধিক এলাকায় এখানকার আবির সরবরাহ করা হয়। জেলার মধ্যে এই আবিরের আলাদা সুনাম রয়েছে বলে জানান স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও। কারিগরদের অক্লান্ত পরিশ্রমে তৈরি হচ্ছে রঙিন আবির, যা খুব শিগগিরই ছড়িয়ে পড়বে বাংলার ঘরে ঘরে। বসন্তের উৎসবকে কেন্দ্র করে এই এলাকা এখন যেন রঙের এক প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে যেখানে শ্রম, স্বপ্ন আর উৎসবের রঙ একসূত্রে গাঁথা।





