সেজন্য, দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ ও বাসন্তী ব্লকে পরীক্ষামূলক ভাবে ‘সর্প’ প্রকল্প শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই কর্মসূচিতে জোর দেওয়া হবে কমিউনিটি স্তরে সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক গড়ে তোলা এবং দ্রুত চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করার ওপরে। এই প্রকল্পের অধীনে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের ‘সর্পমিত্র’ হিসাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: সরকারি চাকরি এবার হাতের মুঠোয়, বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দেবে প্রশাসন! ঘরে বসে অনলাইনে আবেদন, নাম লেখান এখনই

advertisement

ঝুঁকিপূর্ণ পেশার মানুষের জন্য সুরক্ষামূলক সরঞ্জামের ব্যবহার বাড়ানো এবং জরুরি পরিস্থিতিতে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা জোরদার করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সাপ শনাক্তকরণ, রেফারেল ব্যবস্থা মজবুত করা এবং তথ্য ভিত্তিক সিদ্ধান্তে সহায়তার জন্য ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।  সেন্টার ফর পাবলিক হেলথ রিসার্চ এক্ষেত্রে কাজ করবে।

View More

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

advertisement

সাপের কামড়ে মৃত্যুর হার কমানো এর লক্ষ্য। সাপের কামড়ের সব ঘটনাতেই মৃত্যুর হার শূন্যে নামানো এই কর্মসূচির উদ্যেশ্য।  সাপের কামড়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় মৃত্যুর সংখ্যা ভাবাচ্ছে সকলকে। ফলে দ্রুত এর বাস্তবায়ন করতে হবে। সাধারণ মানুষ সচেতন হলে এই সাপের কামড়ে মৃত্যুর হার অনেকটাই কমানো যাবে বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা। এখন দেখার ভবিষ্যতে কি হয়।

advertisement