জানা যাচ্ছে, মধ্যপ্রদেশের এই দুই ভাই একসঙ্গে সিংরোহলি জেলার বারাদার গ্রাম জিরাবন থানা এলাকা থেকে গঙ্গাসাগর মেলায় এসেছিলেন। গ্রামের বাড়ি থেকে আরও অনেক পড়শিরাও দলে ছিলেন। একসঙ্গেই সবাই পুজো দেন। কিন্তু ফেরার পথে সাগরে বিচ্ছিন্ন হয়ে যান দুই ভাই।
আরও পড়ুনঃ মহিলাদের সামনে আয়ের নয়া দিশা! বাড়ি বসে এইসব বানিয়ে বিক্রি করে করতে পারেন উপার্জন, চাহিদা বেশ ভাল
advertisement
গ্রামের লোকজন অনেক খোঁজ খবর নেন। তবে ২ দিন পর সবাই নিজ রাজ্যে ফিরে যান। এদিকে বাড়িতে খবর যেতেই তাঁদের ছেলেরা সাগরের উদ্দেশে রওনা দেন। সেই সঙ্গেই নবান্ন কন্ট্রোল রুমে পরিবারের সদস্যের তরফ থেকে খবর নেওয়া হয়। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরেও খবর দেন পরিবারের লোকজন। সেখানকার বিপর্যয় মোকাবিলা আধিকারিক এই খবরকে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে বলেন।
এরপর গত ২৭ জানুয়ারি কাকদ্বীপ হাসপাতালে সোহাগলালের সন্ধান পাওয়া যায়। অজ্ঞান অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করেছিলেন পথচলতি মানুষরা। নাম-ঠিকানা না জানা অবস্থাতেই তাঁকে সেখানে ভর্তি করা হয়। মধ্যপ্রদেশের সিংরোহলি জেলায় বাড়ির হদিশ পাওয়ার পর জানা যায়, প্রথমে দুই ভাইয়ের একজন সাগর মেলা থেকে নিখোঁজ হন।
প্রথমে সোহাগলাল হারিয়ে যান। এরপর ভাই রামপিয়ারী দাদাকে খুঁজতে গিয়ে নিজেও দল থেকে হারিয়ে যায়। সোহাগকে কাকদ্বীপ হাসপাতাল থেকে ছেলে রোহিত নিয়ে গেলেও কাকার জন্য সাগর থানায় পুলিশের কাছে নিখোঁজ অভিযোগ দায়ের করা হয়। এরপর নিরন্তর খোঁজ চালিয়ে বেনারস থেকে উদ্ধার হন রামপিয়ারী।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
দাদাকে খুঁজতে খুঁজতে ভাই কুম্ভ মেলার দিকে গিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। কারণ দাদা বলছিল, কুম্ভে যাবে। সোহাগলালকে খুঁজতে খুঁজতে ক্লান্ত হয়ে রেল স্টেশনে ঘুমিয়ে পড়ে সে। ঘুমের মধ্যেই টাকা-পয়সা, ফোন সব কিছু খোয়া যায়। এতদিন পর অবশেষে দাদাকে ও ভাইকে মিলিয়ে দিল হ্যাম রেডিও। ফলে মধ্যপ্রদেশের এই পরিবারে এখন খুশির হাওয়া।






