এদিকে ইতিমধ্যেই শীত কাটিয়ে গরম পড়তে শুরু করেছে। গরমের সময় এই এলাকার বিস্তীর্ণ অংশে জলের স্তর নেমে যায়। এখন থেকেই বড় জলাশয়গুলিতে জল অনেকটা কমে গিয়েছে। ফলে প্রায় শুকিয়ে এসেছে খাল-বিলের জল। যদিও প্রকল্পের কাজ ৯০ শতাংশ শেষ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্র থেকে অর্থ না মেলায় কাজ থমকে রয়েছে বলে জানিয়েছেন মথুরাপুরের সাংসদ বাপী হালদার। তিনি অবশ্য এও জানিয়েছেন, দ্রুত এই কাজ শেষ হবে। একাধিক জায়গায় পাম্প হাউসগুলি তৈরি হয়ে গিয়েছে। ফলে আর কিছুদিন অপেক্ষা করলেই কাজ সম্পন্ন হবে।

advertisement

আরও পড়ুনঃ ৬৮ বছরেও থামেনি সুরের সাধনা! হাতেই বাজান তিরিশের বেশি পার্কাসন যন্ত্র, মেদিনীপুরের সঙ্গীত জগতের এক অনুপ্রেরণা একাদশ পাত্র

অন্যদিকে পানীয় জলের অবস্থাও ভাল নয়। কিন্তু এই জলপ্রকল্পে কেন এত দেরি হচ্ছে? খোঁজ নিয়ে জানা গিয়েছে, একাধিক জায়গায় জমিজট, পাইপ বসানোর দীর্ঘসূত্রিতা, জলের রিজার্ভার নিয়ে সমস্যা সহ একাধিক অসুবিধা হওয়ায় এই প্রকল্পের কাজ শেষ হয়নি। ফলে এই বছর গরমের সময়েও জলের সমস্যায় ভুগতে হবে সকলকে। তবে পরের বছর থেকে আর জলের সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছেন মথুরাপুর ১ নং ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মানবেন্দ্র হালদার।

advertisement

View More

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

মানবেন্দ্রবাবু জানান, যে হারে কাজ এগিয়েছে, তাতে মনে হচ্ছে ছয় মাসে কাজ শেষ হবে। কিন্তু এই বছর জলের সমস্যা থেকেই যাবে। এই গরমেও পানীয় জল থেকে গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার করার জল সব ক্ষেত্রেই সকলের অসুবিধা হবে।

advertisement