খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের ২ ইঞ্জিন। ঘন্টা তিনেকের চেষ্টার পর আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। এই ঘটনায় বেশ কয়েকটি দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে। পুড়ে নষ্ট হয় দোকানের ভিতর থাকা মালপত্র। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত।

আরও পড়ুনঃ মহিলাদের সমস্যা শুনবেন মহিলা অফিসার! বারুইপুর থানায় এই প্রথম ‘মহিলা হেল্প ডেস্ক’, চালু হল সাইবার সেলও

advertisement

রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মন্দিরবাজার থানার পুলিশ। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল অনেকেই দোকান থেকে কিছু বের করতে পারেননি। একাধিক ব্যবসায়ীর কয়েক লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

View More

সব মিলিয়ে, প্রাথমিকভাবে কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে সঠিক ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে মন্দিরবাজার থানার পুলিশ। দমকলও নিজস্ব রিপোর্ট প্রস্তুত করছে। এই ঘটনায় হতাহতের খবর না মিললেও এলাকা জুড়ে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দ্রুত ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের দাবিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চাইছেন।

advertisement

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

এদিন ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন মন্দিরবাজারের বিধায়ক জয়দেব হালদার। তিনি বলেন, গভীর রাতে শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগতে পারে। ইতিমধ্যেই সর্বস্তরে জানানো হয়েছে। একাধিক দোকান পুড়ে গিয়েছে। আমরা ব্যবসায়ীদের পাশে রয়েছি।