বিশেষ করে ইলিশের প্রজননের সঙ্গে বংশবিস্তার রক্ষায়-বছরে নির্দিষ্ট কিছু সময় মাছ ধরা বন্ধ থাকে। এই সময় মৎস্যজীবীরা বেকার হয়ে পড়েন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন সাইক্লোন বা নিম্নচাপের সময় সমুদ্রে যাওয়া সম্ভব হয় না, যা মৎস্যজীবীদের আয় বন্ধ হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত মৎস্য শিকার রোধে জেলেদের বিকল্প আয়ের পথ দেখালে প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় থাকে।
advertisement
বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য মৎস্যজীবীদের দক্ষতা ও স্থানীয় পরিবেশের ওপর ভিত্তি করে ক্ষেত, পশুপালন ও হাঁস-মুরগি পালন। বিশেষ করে উন্নত জাতের হাঁস পালন জেলে পরিবারের মহিলাদের জন্য বাড়তি আয়ের উৎস। দুধ উৎপাদন বাজারের চাহিদা অনুযায়ী এটি একটি লাভজনক ব্যবসা। আধুনিক কৃষি ও বাড়িতে সবজি চাষ।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
খাঁচায় মাছ চাষ মুক্ত জলাশয়ে বা বড় পুকুরে মাছ চাষ করে তাদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে মৎস্য পালন শুরু করছেন। এর পাশাপাশি একই জমিতে মাছ ও ধান সবজি চাষ করে বাজারে বিক্রির তা দিয়ে বিকল্প আয় করছে মৎস্যজীবীরা। মাছ ধরার অফ-সিজনে উন্নতমানের জাল তৈরি এবং মেরামত। বাঁশ ও বেতের কাজ, নকশিকাঁথা তৈরি বা মোমবাতি তৈরির প্রশিক্ষণ। স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে শুটকি তৈরি করে বাজারজাতকরণ।
কারিগরি ও সেবামূলক কাজ। যান্ত্রিক নৌযান নিজেদের নৌকার ইঞ্জিন মেরামতের পাশাপাশি ওয়ার্কশপ স্থাপন। তরুণ মৎস্যজীবীদের জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের শহরের বিভিন্ন শিল্পে কাজ করার সুযোগ করে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।





