advertisement

Jalpaiguri Tourism: উত্তরবঙ্গের এই ৫ ওয়াচ টাওয়ার যেন প্রকৃতির জানালা! ঘুরতে যাওয়ার আগে তালিকায় রাখুন নামগুলি, জানুন ঠিকানা

Last Updated:
উত্তরবঙ্গ ভ্রমণে গিয়ে কেবল জঙ্গলে ঘুরলেই হবে না, প্রকৃতির আসল রূপ দেখতে চাইলে উঠতে হবে ওয়াচ Jalpaiguri Tourism: টাওয়ারে। জলদাপাড়া থেকে শুরু করে গরুমারা— এই প্রতিবেদনে রইল এমন ৫টি ওয়াচ টাওয়ারের হদিস, যেগুলি আপনাকে দেবে জঙ্গল ও বন্যপ্রাণের এক মায়াবী দৃশ্য। পর্যটকদের কাছে এগুলি কেবল টাওয়ার নয়, যেন প্রকৃতির খোলা জানালা।
1/6
উত্তরবঙ্গের অরণ্যভূমির কথা উঠলেই প্রথমেই মনে পড়ে গরুমারা জাতীয় উদ্যান। আর তারই অদূরে লাটাগুড়ি সবুজে মোড়া এক স্বপ্নিল ঠিকানা। জঙ্গলকে কাছ থেকে দেখার, অনুভব করার সুযোগ এনে দেয় এখানকার একাধিক ওয়াচ টাওয়ার। প্রতিটি টাওয়ার যেন আলাদা অভিজ্ঞতা, আলাদা গল্প ক্যামেরার ফ্রেমে ধরা পড়ে প্রকৃতির নীরব সৌন্দর্য।
উত্তরবঙ্গের অরণ্যভূমির কথা উঠলেই প্রথমেই মনে পড়ে গরুমারা জাতীয় উদ্যান। আর তারই অদূরে লাটাগুড়ি সবুজে মোড়া এক স্বপ্নিল ঠিকানা। জঙ্গলকে কাছ থেকে দেখার, অনুভব করার সুযোগ এনে দেয় এখানকার একাধিক ওয়াচ টাওয়ার। প্রতিটি টাওয়ার যেন আলাদা অভিজ্ঞতা, আলাদা গল্প ক্যামেরার ফ্রেমে ধরা পড়ে প্রকৃতির নীরব সৌন্দর্য।
advertisement
2/6
<strong>যাত্রাপ্রসাদ ওয়াচ টাওয়ার</strong>: জঙ্গলের হৃদয়ে দাঁড়িয়ে থাকা। এই টাওয়ার থেকেই চোখে পড়ে বিস্তীর্ণ তৃণভূমি ও সল্টপিট। সকাল–বিকেল—দুই সময়েই বন্যপ্রাণীর আনাগোনা। নুন খেতে আসা হাতির পাল, কখনও একশৃঙ্গ গণ্ডার—উপর থেকে দেখা সেই দৃশ্য মুহূর্তকে থামিয়ে দেয়।
যাত্রাপ্রসাদ ওয়াচ টাওয়ার: জঙ্গলের হৃদয়ে দাঁড়িয়ে থাকা। এই টাওয়ার থেকেই চোখে পড়ে বিস্তীর্ণ তৃণভূমি ও সল্টপিট। সকাল–বিকেল—দুই সময়েই বন্যপ্রাণীর আনাগোনা। নুন খেতে আসা হাতির পাল, কখনও একশৃঙ্গ গণ্ডার—উপর থেকে দেখা সেই দৃশ্য মুহূর্তকে থামিয়ে দেয়।" width="1500" height="1000" /> যাত্রাপ্রসাদ ওয়াচ টাওয়ার: জঙ্গলের হৃদয়ে দাঁড়িয়ে থাকা। এই টাওয়ার থেকেই চোখে পড়ে বিস্তীর্ণ তৃণভূমি ও সল্টপিট। সকাল–বিকেল—দুই সময়েই বন্যপ্রাণীর আনাগোনা। নুন খেতে আসা হাতির পাল, কখনও একশৃঙ্গ গণ্ডার—উপর থেকে দেখা সেই দৃশ্য মুহূর্তকে থামিয়ে দেয়।
advertisement
3/6
<strong>চুকচুকি ওয়াচ টাওয়ার</strong>: এক কথায় এই ওয়াচ টাওয়ার পাখিপ্রেমীদের স্বর্গরাজ্য। জলাশয়ঘেরা এই এলাকায় শীতকালে ভিড় জমায় অসংখ্য পরিযায়ী পাখি। নীরবতায় ভেসে আসে সুরেলা ডাক—মন জুড়িয়ে যায়। মেলে এক অপূর্ব শান্তি।
চুকচুকি ওয়াচ টাওয়ার: এক কথায় এই ওয়াচ টাওয়ার পাখিপ্রেমীদের স্বর্গরাজ্য। জলাশয়ঘেরা এই এলাকায় শীতকালে ভিড় জমায় অসংখ্য পরিযায়ী পাখি। নীরবতায় ভেসে আসে সুরেলা ডাক—মন জুড়িয়ে যায়। মেলে এক অপূর্ব শান্তি।" width="1500" height="1000" /> চুকচুকি ওয়াচ টাওয়ার: এক কথায় এই ওয়াচ টাওয়ার পাখিপ্রেমীদের স্বর্গরাজ্য। জলাশয়ঘেরা এই এলাকায় শীতকালে ভিড় জমায় অসংখ্য পরিযায়ী পাখি। নীরবতায় ভেসে আসে সুরেলা ডাক—মন জুড়িয়ে যায়। মেলে এক অপূর্ব শান্তি।
advertisement
4/6
<strong>মেদলা ওয়াচ টাওয়ার</strong>: এখানে পৌঁছনোর পথটাই রোমাঞ্চকর। অনেক সময় মোষের গাড়িতে যাত্রা একেবারে আলাদা অভিজ্ঞতা। পথে আদিবাসী জীবনের ছবি, পাশে বয়ে চলা মূর্তি নদী শান্ত কলকল শব্দ—সব মিলিয়ে তৈরি হয় মায়াবী পরিবেশ।
মেদলা ওয়াচ টাওয়ার: এখানে পৌঁছনোর পথটাই রোমাঞ্চকর। অনেক সময় মোষের গাড়িতে যাত্রা একেবারে আলাদা অভিজ্ঞতা। পথে আদিবাসী জীবনের ছবি, পাশে বয়ে চলা মূর্তি নদী শান্ত কলকল শব্দ—সব মিলিয়ে তৈরি হয় মায়াবী পরিবেশ।" width="1500" height="1000" /> মেদলা ওয়াচ টাওয়ার: এখানে পৌঁছনোর পথটাই রোমাঞ্চকর। অনেক সময় মোষের গাড়িতে যাত্রা একেবারে আলাদা অভিজ্ঞতা। পথে আদিবাসী জীবনের ছবি, পাশে বয়ে চলা মূর্তি নদী শান্ত কলকল শব্দ—সব মিলিয়ে তৈরি হয় মায়াবী পরিবেশ।
advertisement
5/6
<strong>রাইনো পয়েন্ট</strong>: নামেই ইঙ্গিত রয়েছে গণ্ডার দেখার সম্ভাবনা বেশি। বিস্তীর্ণ ঘাস-জঙ্গল আর চারণভূমির দৃশ্য অনেকটা জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান-এর মতোই মনকাড়া। এখানে বন্যপ্রাণীদের বিচরণ অবাধ।
রাইনো পয়েন্ট: নামেই ইঙ্গিত রয়েছে গণ্ডার দেখার সম্ভাবনা বেশি। বিস্তীর্ণ ঘাস-জঙ্গল আর চারণভূমির দৃশ্য অনেকটা জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান-এর মতোই মনকাড়া। এখানে বন্যপ্রাণীদের বিচরণ অবাধ।" width="1080" height="1350" /> রাইনো পয়েন্ট: নামেই ইঙ্গিত রয়েছে গণ্ডার দেখার সম্ভাবনা বেশি। বিস্তীর্ণ ঘাস-জঙ্গল আর চারণভূমির দৃশ্য অনেকটা জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান-এর মতোই মনকাড়া। এখানে বন্যপ্রাণীদের বিচরণ অবাধ।
advertisement
6/6
<strong>চাপড়ামারি ওয়াচ টাওয়ার</strong>: ছোট হলেও অভিজ্ঞতায় ভরপুর। এখান থেকে দেখা যায় চাপড়ামারি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য-র ঘন সবুজ। কখনও ময়ূর, কখনও হরিণ—প্রকৃতি এখানে যেন ছবির ফ্রেমে ধরা দেয়। এই ওয়াচ টাওয়ারগুলো শুধু দেখার জায়গা নয় এগুলো একেকটা অনুভবের জানালা।
চাপড়ামারি ওয়াচ টাওয়ার: ছোট হলেও অভিজ্ঞতায় ভরপুর। এখান থেকে দেখা যায় চাপড়ামারি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য-র ঘন সবুজ। কখনও ময়ূর, কখনও হরিণ—প্রকৃতি এখানে যেন ছবির ফ্রেমে ধরা দেয়। এই ওয়াচ টাওয়ারগুলো শুধু দেখার জায়গা নয় এগুলো একেকটা অনুভবের জানালা।" width="1500" height="1000" /> চাপড়ামারি ওয়াচ টাওয়ার: ছোট হলেও অভিজ্ঞতায় ভরপুর। এখান থেকে দেখা যায় চাপড়ামারি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য-র ঘন সবুজ। কখনও ময়ূর, কখনও হরিণ—প্রকৃতি এখানে যেন ছবির ফ্রেমে ধরা দেয়। এই ওয়াচ টাওয়ারগুলো শুধু দেখার জায়গা নয় এগুলো একেকটা অনুভবের জানালা।
advertisement
advertisement
advertisement