এই অভিযানে সহায়তা করে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা শিশু সুরক্ষা দফতর, জেলা আইনি সহায়তা দফতর এবং বারুইপুর থানার পুলিশ। হঠাৎ অভিযানে কারখানাগুলিতে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। সেখান থেকে ৩৪ জন শিশুকে উদ্ধার করে প্রথমে বারুইপুর থানায় নিয়ে আসা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তাদের অধিকাংশকেই ভিন রাজ্য থেকে কাজের প্রলোভন দেখিয়ে এখানে আনা হয়েছিল। প্রতিদিন দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করানো হত, অথচ পর্যাপ্ত খাবার বা বিশ্রামের সুযোগ মিলত না বলেও অভিযোগ।
advertisement
পশ্চিমবঙ্গ শিশু সুরক্ষা দফতরের আধিকারিক সুস্মিতা চট্ট জানান, ভিন রাজ্য থেকে এই শিশুদের এনে শ্রমিক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল। এটি স্পষ্টতই শিশু শ্রম আইন লঙ্ঘনের ঘটনা। আমরা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছি। তিনি আরও বলেন, উদ্ধার হওয়া শিশুদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কারখানা মালিকদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। শিশু শ্রম (নিষিদ্ধ ও নিয়ন্ত্রণ) আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
একই সঙ্গে মানব পাচারের দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া শিশুদের অস্থায়ীভাবে সুরক্ষিত আবাসনে রাখা হবে এবং পরে তাদের ওয়েস্ট বেঙ্গল চাইল্ড ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট-এর হাতে তুলে দেওয়া হবে। সেখান থেকে প্রয়োজনীয় আইনি ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, শিশু শ্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসনের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।






