কিন্তু কাঠের ব্যবহারে দূষণ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, এছাড়াও বনাঞ্চল ধ্বংসের মত সম্ভবনা রয়েছে। এ নিয়ে প্রধান শিক্ষক সংগঠনের সম্পাদক চন্দন কুমার মাইতি জানিয়েছেন, “আমাদের ২২০০ স্টুডেন্ট এনরোল আছে। প্রতিদিন প্রায় ১৪০০ স্টুডেন্টের রান্না হয়। প্রতিদিন ১ টা করে সিলিন্ডার লাগে। সিলিন্ডার মিলছে না। আমরা কাঠ নিয়ে এসেছি। কিন্তু কাঠের দাম বেড়ে গিয়েছে। এটি দূষণ ছড়াচ্ছে। আমরা প্রজেক্ট ডিরেক্টর মিড-ডে মিল, পি-এম পোষাণকে জানিয়েছি। কিন্তু কোনও উত্তর পাইনি। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আপাতত কাঠ দিয়ে চালানোর। তারপর ড্রাই ফ্রুট দিয়ে চালানো। আমাদের আবেদন কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে দ্রুত গ্যাস সাপ্লাই দিতে হবে।
advertisement
আরও পড়ুন: ভারতীয় ১০,০০০ টাকা ‘দুবাইতে’ কত হবে জানেন…? চমকাবেন শুনলেই ‘উত্তর’!
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন। তিনি জানিয়েছেন, “কোনও ভাবেই মিড ডে মিল বন্ধ করা যাবে না। গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির প্রকৃত চিত্রটি কেমন তা জানাতে হবে কেন্দ্রকে।”
দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুর এলাকার কৃষ্ণচন্দ্রপুর হাই স্কুলে রান্নার গ্যাসের বিকল্প হিসাবে কাঠ মজুত করা হয়েছে। গ্যাস না পেয়ে সেই কাঠের জ্বালানিতে মিড ডে মিল রান্না হচ্ছে। মাটির উনুনই আপাতত ভরসা। বৃহস্পতিবার বা তার পর কী হবে, তা নিয়ে ভাবছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।
এ নিয়ে প্রধানশিক্ষক চন্দন মাইতি জানিয়েছেন, “মঙ্গলবারই আমরা বুঝতে পেরেছিলাম কী হতে চলেছে। তাই প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। কিন্তু কাঠের জোগান তো পর্যাপ্ত নয়। এ ভাবে কতদিন চলবে! সরকারের তরফে পদক্ষেপ প্রয়োজন। স্কুলের কমিটির সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে।” পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হয় সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে সবাই। দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে প্রায় সব স্কুলকে বিকল্প ব্যবস্থার দিকে যেতে হতে পারে এবার।





