এই মেলার টানে এবছরও লক্ষ লক্ষ মানুষ এসেছেন। দক্ষিণ বিষ্ণুপুরের এই মেলা স্থানীয়দের কাছে ‘ভাঙা মেলা’ নামেই বেশি পরিচিত। খাবার ছাড়া প্রায় সব কিছুই এখানে পুরোনো বা ব্যবহৃত জিনিস হওয়ায় এই মেলার আলাদা পরিচিতি রয়েছে। তবে এবছর নতুন জিনিসপত্রের দোকানও দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ নর্দমা থেকে উদ্ধার সদ্যজাতের দেহ! জন্মের পরই পৈশাচিক অত্যাচার, মৌসুনি দ্বীপে চাঞ্চল্য

advertisement

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রতি বছর এই মেলায় ভিড় জমিয়েছেন। সাধারণ মানুষের কাছে কম দামে প্রয়োজনীয় জিনিস কেনার সুযোগ যেমন রয়েছে, তেমনই সংগ্রাহকদের জন্যও এখানে লুকিয়ে থাকে বহু মূল্যবান সামগ্রী। ল্যাপটপ, কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, ফ্রিজ, লোহার জিনিসপত্র, খাট, আলমারি, বই, শিশুদের খেলনা, জুতো-প্রায় সব ধরনের জিনিসই মিলছে এই মেলায়। সবই পুরোনো তাই দামের দিক থেকে তা নতুন জিনিসের অর্ধেক, কখনও তার থেকেও কম।

advertisement

View More

আরও পড়ুনঃ ডুয়ার্সের চা বাগানে হিমালয়ান ব্ল্যাক বিয়ার! খাবারের সন্ধানে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এদিন ওদিক, পাহাড় ধ্বংসের ফলেই কি সমতলে ভালুক

কীভাবে যাবেন ভাঙা মেলায়? শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার নামখানা অথবা লক্ষ্মীকান্তপুর লোকাল ধরে মথুরাপুর স্টেশনে নামতে হবে। স্টেশন থেকে মাত্র দুই মিনিটের হাঁটা পথেই মেলার মাঠ।

advertisement

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে মন্দিরবাজার ও মথুরাপুর থানার পুলিশ প্রশাসন সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছে। পাশাপাশি বাইরে থেকে আনা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশকর্মী। দক্ষিণ বিষ্ণুপুর গ্রাম পঞ্চায়েত ও মন্দিরবাজার পঞ্চায়েত সমিতি যৌথভাবে মেলার তদারকির দায়িত্বে রয়েছে।