এই লৌকিক দেবতার পুজো মূলত ২৪ পরগনা-সহ বাংলার বেশ কিছু এলাকায় কয়েকটি জেলায় প্রচলন আছে। সুন্দরবন অঞ্চলে এই ঠাকুরের পূজা বেশি হয়। সমাজের সব স্তরের মানুষ বারাঠাকুরের পূজা করেন। এই এই দেবতার জন্য বাংলার লোকশিল্পের আদি ধারা আজও টিকে আছে।
আরও পড়ুন: নতুন দিগন্ত আইআইটি খড়গপুরে! চুক্তি সম্পন্ন, চালু হচ্ছে ‘ক্রিয়েটিভ লিডারশিপ’ কোর্স, জানুন বিস্তারিত
advertisement
লোক বিশ্বাস, বারা হল দক্ষিণরায়ের কাটা মুণ্ড। বারা বলতে সাধারণত ঘট-কে বোঝায়। দক্ষিণরায়ের সময়কাল থেকে তাঁর বারা ঠাকুরের পুজো বৃদ্ধি পায়। বারা ঠাকুর হলেন পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণাংশের বাঙালি হিন্দুসমাজে পূজিত এক অশাস্ত্রীয় লৌকিক দেবতা। পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি প্রভৃতি জেলার গ্রামাঞ্চলে এই দেবতার পূজা প্রচলিত। তবে দক্ষিণ .২৪ পরগনা জেলায় এই বারাঠাকুরের পূজার প্রচলন অত্যধিক।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
আর লোক মুখে এই শতবারা পুজো থেকেই যেহেতু এই পুজো দক্ষিণে প্রচলন বলেই এলাকার নাম দক্ষিণ বারশত নামেই অভিহিত করা হয়েছে। ‘বারা’ শব্দে সাধারণভাবে ‘ঘট’-ই বোঝায়, কিন্তু এর অন্য অর্থও আছে। ‘চারিদিকে ঘেরা একটু উঁচু বেদী’কেও ‘বারা’ বলা হয়। এই ধরণের বেদীতে অধিষ্ঠান করে যে দেবতা পূজা পান তাঁকে ‘বারা দেবতা’ বলা যেতে পারে। ‘বারা ঠাকুরের জাঁতাল পূজা’র কালে তাঁর ‘ছোট বেদী’টা ‘খেজুর গাছের ডাল’ দিয়ে ঘিরে রাখা হয়।





