পরিসংখ্যান বলছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা সবসময় তৃণমূলের গড়। ২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই ২০০৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস এই জেলার জেলা পরিষদে ক্ষমতায়। বর্তমানে এই জেলায় ৩১ বিধানসভার মধ্যে ৩০টি তৃণমূলের দখলে। একটি আবার আইএসএফ-এর দখলে। ফলে এই জেলায় বিজেপির অবস্থান তুলনামূলকভাবে দুর্বল। উত্তরবঙ্গও রয়েছে, যেখানে বিজেপির সাংগঠনিক শক্তি তুলনায় বেশি। কিন্তু বিজেপির চাণক্য অমিত শাহ বেছে নিয়েছেন তৃণমূলের দেড় দশকের দুর্গ দক্ষিণ ২৪ পরগনাকে।
advertisement
৮ সদস্যের মডিউলের ‘মাথা’ মালদহের উমর ফারুক! কী ভাবে যোগাযোগ হয়েছিল কাশ্মীরের জঙ্গি সাবিরের সঙ্গে?
ওই একই দিনে রাজ্যের আরও চার প্রান্ত থেকে পরিবর্তন যাত্রা শুরু হবে। পরের দিনই শুরু হবে আরও চার প্রান্তে। কিন্তু রায়দিঘিতে অমিত শাহ থেকে তৃণমূলকেই বার্তা দিতে চাইছে।
একদা তৃণমূলের উত্থানের স্বাক্ষী এই দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকেই কি বিজেপির উত্থান চাইছেন তিনি। এই প্রশ্নই এখন ঘুরছে এলাকায়। তবে এই জেলায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সাংসদ। এই জেলায় তৃণমূলের শক্তি বৃদ্ধি হয়েছে বারবার। রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস বারবার বলে এসেছে এই জেলায় বিরোধিরা দাঁত ফোটাতে পারবেনা। বিজেপির অনেকেই মনে করছেন, এই বিষয়গুলিকে মাথায় রেখেই দক্ষিণ ২৪ পরগনাকে বেছে নিয়ে বার্তা দিতে চাইছেন শাহ। ফলে এই বিধানসভা নির্বাচনে কি হয় এখন দেখার।
