গতবছরের ১৯ অক্টোবর মাঝ সমুদ্রে “শুভযাত্রা” নামের ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাওয়ায় সেটি ভাসতে ভাসতে বাংলাদেশের জলসীমায় ঢুকে পড়ে। অনুপ্রবেশের অভিযোগে বাংলাদেশের নৌবাহিনী তাঁদের আটক করে এবং বাগেরহাট জেলা আদালতের নির্দেশে তাঁদের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়। সেই সময় থেকেই তাঁরা বাংলাদেশের জেলে ছিলেন। তাঁদের ফেরানোর জন্য দুই দেশের প্রশাসন কথাবার্তা চালাচ্ছিলেন।
advertisement
প্রচুর সোনা! ভারত থেকে মাত্র ৯ ঘণ্টা দূরের এই দেশ! এবার লক্ষ্য বিশ্বসেরা শীর্ষ দশের তালিকা
কূটনৈতিক আলোচনার পর ভারত-বাংলাদেশ জলসীমায় দুই দেশের উপকূল রক্ষী বাহিনীর উপস্থিতিতে দুই দেশের মৎস্যজীবীদের বিনিময় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। বাংলাদেশের মৎস্যজীবীদের প্রথম ফ্রেজারগঞ্জ থেকে নিয়ে যায় ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী। অপরদিকে ভারতীয় মৎস্যজীবীদের নিয়ে আসে বাংলাদেশ উপকূলরক্ষী বাহিনী। আন্তর্জাতিক জলসীমায় নিয়ে আসা হয় তাদের।
এই বিনিময় প্রক্রিয়া চলাকালীন বাংলাদেশের ১১৫ জন মৎস্যজীবীকে ছাড়া হয়। অপরদিকে ভারতীয় মৎস্যজীবীদের বাংলাদেশের উপকূলরক্ষী বাহিনী আন্তর্জাতিক জলসীমার কাছাকাছি নিয়ে আসে। এরপরই তাঁদের ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়।
ফ্রেজারগঞ্জ বন্দরে তাঁদের স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন কাকদ্বীপের মহকুমা শাসক প্রীতম সাহা ও পুলিশ ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। তাঁদের উপস্থিতিতে মৎস্যজীবীদের তাদের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। দেশে ফিরতে পেরে খুবই খুশি মৎস্যজীবীরা। এই ঘটনায় তারা সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
