মঙ্গলবার এ বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির একটি রিপোর্ট জমা পড়ে শীর্ষ আদালতে। শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি জানান, হাইকোর্ট জানিয়েছে এই কাজের জন্য পর্যাপ্ত লোকের অভাব রয়েছে। প্রতি দিন ২৫০টি করে নিষ্পত্তি করলেও, প্রায় ৮০ দিন সময় লাগবে।
প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত এই শুনানিতে এদিন রাজ্যে এসআইআর-এর কাজ প্রসঙ্গে বলেন, প্রায় ৮০ লক্ষ তথ্যগত অসঙ্গতি এবং আনম্যাপড তালিকা রয়েছে। এর মধ্যে জেলা বিচারক ও অতিরিক্ত জেলা বিচারক পদমর্যাদার ২৫০ জন বিচারবিভাগীয় অফিসারকে প্রায় ৫০ লক্ষ দাবি যাচাইয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
advertisement
প্রধান বিচারপতি বলেন, “একজন করে জুডিশিয়াল অফিসার যদি ২৫০টি করেও কাজ করেন তাহলেও গোটা কেস দেখতে অন্তত ৮০ জন লাগবে। আমরা ঝাড়খণ্ড এবং ওডিশারও অবসরপ্রাপ্ত বিচারকদের এই প্রক্রিয়ায় যোগ করার আবেদন করছি। আমরা দুই রাজ্যের প্রধান বিচারপতিদের অনুরোধ করব।
রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন তোলেন, “কিন্তু তাঁদেরও তো ভাষার সেই সমস্যা থাকবে।” উত্তরে সিজিআই বলেন, “কিন্তু পড়শি রাজ্যের এই বিচারকরা তবুও কিছু সাংস্কৃতিক যোগ থাকবে। আমাদের কোনও উপায় নেই।” অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের তরফে বলা হয়, “আমরা ২৮ তারিখ তালিকা বের করি, তারপর সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া চলতেই পারে নমিনেশনের শেষ দিন পর্যন্ত।
