বুধবার নলমুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেলে সেখানে তাঁর মৃ্ত্যু হয়। চিকিৎসকদের অনুমান হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা গিয়েছেন। ভাঙরের তৃণমূল নেতা বাহারুল ইসলাম এবং ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা দাবি করেন ভোটার তালিকায় নাম না থাকার জন্য প্রিয়াঙ্কা অসুস্থ হয়ে মারা গিয়েছেন। যদিও এ ব্যাপারে পরিবারের পক্ষ থেকে ভাঙড় থানা , ব্লক প্রশাসন বা নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।
advertisement
অন্যদিকে, এসআইআর তালিকায় নাম বিচারাধীন রয়েছে বলে উস্তির এক যুবক গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন বলে অভিযোগ। পরিবাবের এই দাবির জেরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। এই ঘটনায় প্রতিবাদ জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।
জানা গিয়েছে, পেশায় ভ্যানচালক ৪৪ বছরের রফিক আলি গাজির বাড়ি মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভার ঘোলা নয়াপাড়ায়। এই আত্মহত্যার পর স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। আত্মহত্যার খবর শুনেই পুলিশ সেখানে পৌঁছয় এবং মৃতদেহ উদ্ধার করে ডায়মন্ড হারবার পুলিশ মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
এই আত্মহত্যার ঘটনায় পরিবারের দাবি, এসআইআরের নোটিস আসার পর থেকে আতঙ্কে ছিলেন রফিক আলি গাজি। তাঁর কাছে যে সমস্ত নথি ছিল সেগুলি জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু চূড়ান্ত তালিকায় তাঁর নাম আসেনি। এরপর থেকে হতাশায় ছিলেন তিনি।
