এদিনের সভামঞ্চ থেকে মমতা বলেন, ‘‘জাজেদের কাছে নিজেরা যাবেন না। দু’টো কমিউনাল পার্টি এসে জাজেদের ঘেরাও করে পালিয়ে গেল। মাঝখান থেকে স্থানীয় ছেলেমেয়েরা হেনস্থার শিকার হচ্ছেন। এনআইএ-র নাম করে ৪০-৫০ জনকে গ্রেফতার করা হচ্ছে।’’
advertisement
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশ্বাস, ‘‘প্রতিবাদও করা যাবে না। প্রতিরোধও করা যাবে না। কমিশনের সামনে ডেপুটেশন দিতে পারবে না। সব কণ্ঠরোধ করেছে। মানুষের কণ্ঠরোধ করা যায় না। ভোটাধিকার সংবিধানের অধিকার। আপনাদেরও কাজ করতে হবে। ট্রাইব্যুনালে নাম পাঠাবেন। দরখাস্ত পাঠাবেন। বাকি আইনজীবী দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের। ওদের পরিকল্পনায় নেই, এমন কিছু নেই। এদের মতো নোংরা নেই। ছি ছি বিজেপি!’’
এসআইআর প্রক্রিয়ায় যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, তাঁদের প্রতি মমতার পরামর্শ, ‘‘যার নাম কেটেছে, ট্রাইবুনালে নিয়ে যান। ৫৮ লক্ষ আগে কেটেছে। ৬০ লক্ষ জেনুইন ভোটার। রাস্তায় ধর্না দিয়েছি। সুপ্রিম কোর্টে বিচার চাইতে যাই। ২২ লক্ষ নাম উঠেছে ৬০ লক্ষের মধ্যে। বাকিরা আবেদন করুন।’’
এদিনের সভা থেকে ফের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছোঁড়েন মমতা৷ বলেন, ‘‘অমিত শাহকে চ্যালেঞ্জ করছি, এখানে দাঁড়িয়ে সভা করে যাঁদের নাম কেটেছেন, তাঁদের সঙ্গে কথা বলুন। আপনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ফোন করে নির্দেশ দেন, মালদহ, মুর্শিদাবাদে ভোট কাটুন। আমার কেন্দ্রেও ভোট কেটে দিয়েছে ৪০ হাজার। সব অফিসারদের বদলে দিয়েছে। ৫ রাজ্যে ভোট হচ্ছে। ৫০০ অফিসার বদলেছে। বাংলাতেই বদলেছে ৪০০ জনকে।’’
মমতার দাবি, ‘‘এই সরকার দিল্লিতে আর নেই দরকার। আগে পরিবর্তন করতে হবে। যাঁদের নাম কেটেছে, দলীয় নেতাদের অনুরোধ করব, শুধু প্রচার করলে হবে না। এটাও বড় কাজ। দিল্লি থেকে লোকেরা দেখে দেখে সংখ্যালঘু, তফসিলি, জনজাতিদের ভোট বাদ দিয়েছে।’’
