রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছে রেলওয়ে বোর্ড। ডিএইচআরের ডিরেক্টর ঋষভ চৌধুরীর উদ্যোগেই এই প্রকল্পে ছাড়পত্র ও আর্থিক অনুমোদন মিলেছে। ইতিমধ্যেই সুকনা মিউজিয়ামে সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। স্টেশন চত্বর ও মিউজিয়ামের ভেতরের সাজসজ্জায় আনা হচ্ছে আধুনিক ছোঁয়া।
২০০৫ সালে ঘুম ও কার্শিয়াংয়ের পর সুকনায় চালু হয়েছিল এই মিউজিয়াম। এখানে সংরক্ষিত রয়েছে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলের দীর্ঘ ইতিহাস, বিরল আলোকচিত্র, নথি ও ঐতিহ্যবাহী সামগ্রী। তবে শিলিগুড়ির এত কাছে থাকা সত্ত্বেও পর্যটনমহলে সেভাবে জনপ্রিয়তা পায়নি এই কেন্দ্র। সেই সীমাবদ্ধতা কাটাতেই এবার বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
advertisement
সুকনা স্টেশন মাস্টার তপন মালাকার জানিয়েছেন, মিউজিয়ামে নতুন কিছু দুষ্প্রাপ্য সংগ্রহ আনা হবে এবং প্রদর্শন পদ্ধতিতেও বদল আনা হচ্ছে। আগামী এক মাসের মধ্যেই সংস্কারের কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার কথা। আগে যেখানে মাত্র ৫ টাকায় প্রবেশ করা যেত, এখন ২০ টাকার টিকিট কেটে দর্শনার্থীরা রেলের অজানা ইতিহাসের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সব মিলিয়ে, সুকনা মিউজিয়ামকে ঘিরে এই উদ্যোগ শুধু একটি সংস্কার প্রকল্প নয়—বরং সমতল থেকে পাহাড় পর্যন্ত বিস্তৃত টয়ট্রেনের ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে আরও দৃশ্যমান করে তোলার এক বড় পদক্ষেপ।





