এই দুই আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবর দীর্ঘদিন ধরেই অনুপ্রবেশ ও সীমান্ত সংক্রান্ত নানা নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ দেখা যায়। একাধিকবার ওপার থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা হলেও, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেশের কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে অনুপ্রবেশকারীরা ধরা পড়ে। তবে ভবিষ্যতে এই নজরদারি আরও নিখুঁত ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে AI ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান এসএসবি ডিজি।
advertisement
আরও পড়ুন: আজীবনের স্মৃতি! বিরল-চোখ ধাঁধানো দৃশ্য, সুন্দরবনে একসঙ্গে ৩ রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের দর্শন পর্যটকদের
একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সঞ্জয় সিংহল জানান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির মাধ্যমে সীমান্ত এলাকায় সন্দেহজনক গতিবিধি দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হবে। আধুনিক সেন্সর, স্মার্ট নজরদারি ব্যবস্থা ও তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে সীমান্তে নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
শুধু প্রযুক্তিগত নজরদারিতেই সীমাবদ্ধ নয় এসএসবির উদ্যোগ। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি ফোর্স লেভেলেও বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। ইন্দো-নেপাল ও ইন্দো-ভুটান সীমান্তে নেপাল এবং রয়েল ভুটান পুলিশের সঙ্গে একাধিক যৌথ কার্যক্রম ইতিমধ্যেই চালু রয়েছে, যা আগামী দিনে আরও বিস্তৃত করা হবে বলে জানান এসএসবি ডিজি।
সীমান্ত এলাকায় স্থানীয় স্তরে সম্পর্ক আরও মজবুত করতে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বাড়ানোর দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সীমান্তবাসী ও প্রতিবেশী দেশের বাহিনীর মধ্যে সৌহার্দ্য বজায় রাখাই নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করে তুলবে—এমনটাই মত সঞ্জয় সিংহলের। তাঁর কথায়, “সীমান্ত নজরদারির পাশাপাশি মানবিক সম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।”
সব মিলিয়ে, আধুনিক AI প্রযুক্তির ব্যবহার ও প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সমন্বয় বাড়িয়ে সীমান্ত সুরক্ষাকে আরও শক্তিশালী করতে চাইছে এসএসবি। প্রযুক্তি ও মানবিক সম্পর্ক—এই দুইয়ের সমন্বয়েই নিরাপদ সীমান্ত গড়ে তোলাই এখন মূল লক্ষ্য।





