সেখানে স্ট্রং রুমে এক গ্রুপ সি কর্মীর মোবাইল ফোন বেজে ওঠে। সেই ফোন বাজেয়াপ্ত করেন স্কুল পরিদর্শক। বাকি শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মীদের কাছে ফোন আছে কিনা নিশ্চিত হতে চান। তখনই তাঁকে বেদম মারধর করে বাজেয়াপ্ত করা ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: বাম্পার সুযোগ…! ৫০ টাকার ‘নোট’ থাকলেই মিলবে লাখ লাখ টাকা! কী ভাবে? দেখে নিন ‘সঠিক’ নিয়ম!
advertisement
ঘটনার প্রতিবাদে আঝাপুরে মেমারি তারকেশ্বর রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান আশপাশের অন্যান্য স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা। তাতে আঝাপুর হাই স্কুলের কিছু শিক্ষকও যোগ দেন। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন অভিভাবকরাও।
সেইসব অভিভাবক শিক্ষকরা বলছেন, পরীক্ষা চলাকালীন কে কে মোবাইল ফোন সঙ্গে রাখতে পারবে তা নির্দিষ্ট করে দিয়েছে পর্ষদ। কিন্তু স্ট্রং রুমে গ্রুপ সি কর্মীর কাছ থেকে মোবাইল ফোন পাওয়া গেল। সেই ফোন কেড়ে নেওয়ার জন্য শিক্ষকরা স্কুল পরিদর্শককে মারধর করতে পর্যন্ত বাদ রাখলেন না।
এস আইকে মারধরের পরিণাম কী তা শিক্ষকরা ভালভাবেই জানেন। তা জেনেও তারা মোবাইল ছিনিয়ে নিলেন। তার মানে কি ওই মোবাইল ফোনে আরও মারাত্মক কিছু ছিল! সেজন্যই তাঁরা ওই মোবাইল ফোন হাতে পেতে এতোটা মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন? তাই ওই মোবাইল ফোনে কী ছিল তারও বিস্তারিত তদন্ত হোক।
অভিযোগ উঠছে, ওই মোবাইল ফোন থেকে প্রশ্ন ফাঁসের চক্রান্ত হচ্ছিল এমনটাও তো হতে পারে। তাই বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার। প্রয়োজনে মোবাইল ফোন বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নেওয়া হোক। ওই মোবাইল ফোন থেকে তথ্য ডিলিট করা হলেও তা তাঁরা উদ্ধার করতে পারবেন। সেই সঙ্গে অবর বিদ্যালয় পরিদর্শককে মারধরের ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় স্কুলের প্রধান শিক্ষক-সহ আট জনকে সাসপেন্ড করেছে শিক্ষা দফতর।
