খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের একটি ইঞ্জিন এবং বন দফতরের কর্মীরা। প্রায় এক ঘণ্টা প্রচেষ্টায় স্থানীয়দের সাহায্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন তাঁরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, এই অগ্নিকাণ্ডে পাহাড়ের বনাঞ্চলের পাশাপাশি বন্যপ্রাণীরও ক্ষয়ক্ষতি হয়ে থাকতে পারে। তবে আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ জানা না গেলেও অনুমান পাহাড়ের পাশ দিয়ে যাওয়ার রাস্তার যাতায়াত করা পথচারীদের ফেলে দেওয়ার সিগারেট বা বিড়ির কাউন্টার পার্ট থেকে লেগে থাকতে পারে আগুন। ঠিক কী কারণে আগুন লাগল, ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে বন দফতর।
advertisement
তবে শুশুনিয়া পাহাড় পর্যটকদের আকর্ষণের অন্যতম কারণ হলেও এর আগেও সেই পাহাড়ে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। ২০২৪ সালে শুশুনিয়া পাহাড়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সেই বার চার দিন ধরে দাউ দাউ করে জ্বলেছিল আগুন, প্রায় দাবানলের চেহারা নেয়, এর জেরে মৃত্যু হয় বহু প্রাণী, পাখি এবং গাছের। আগুন নেভাতে হিমশিম খেতে হয় বন দফতরকে। এবার আবার বাঁকুড়ার শুশুনিয়া পাহাড়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল। তবে ২০২৫ সালের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর থেকেই শুশুনিয়া পাহাড়ের আগুন নিয়ে তৎপর বন দফতর।
