আরও পড়ুনঃ হাতে খাবেন নাকি চামচে? ভুল অভ্যাসে বিপদ, আগে জেনে নিন বড় সতর্কতা
বনগাঁর সুভাষপল্লীর বাসিন্দা সুশোভন ঘোষের উদ্যোগে এই ব্যতিক্রমী পুজোর আয়োজন করা হয়। জানা গিয়েছে, দীর্ঘক্ষণ পুরোহিতের অপেক্ষায় বসে থাকা পরিবারের সদস্যদের দেখে সুশোভন ঘোষের মাথায় আসে অভিনব ভাবনা- যদি এআই সঠিকভাবে মন্ত্র উচ্চারণ করতে পারে, তাহলে পুরোহিত ছাড়াও পূজো সম্পন্ন করা সম্ভব। ভাবনা অনুযায়ী মোবাইলের মাধ্যমে এআই ব্যবহার করে মন্ত্র যাচাই করে দেখেন তিনি। মন্ত্র সঠিক দেখে নিশ্চিত হওয়ার পর আর দেরি না করে শুরু হয় পূজো। মোবাইলে এআইয়ের মাধ্যমে উচ্চারিত মন্ত্র শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা একযোগে মন্ত্র উচ্চারণ করে পুজো সম্পন্ন করেন।
advertisement
পাড়ার কচিকাঁচা থেকে শুরু করে বয়স্করাও এই অভিনব উদ্যোগে অংশ নেন। নতুন এই ভাবনা দেখে রীতিমতো চমকে যান এলাকার বাসিন্দারা। এই ঘটনায় পুরোহিতদের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ আশঙ্কা প্রকাশ করে জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে এই প্রযুক্তি তাঁদের পেশায় প্রভাব ফেলতে পারে। তবে অন্যদিকে অনেকেই মনে করছেন, এআই সহায়ক হিসেবে ব্যবহার হতে পারে, সম্পূর্ণ বিকল্প হিসেবে নয়।
গৃহকর্ত্রী জানান, এআই দিয়ে মন্ত্র শুনে নিজেদের মতো করে পূজো করে তারা মানসিক তৃপ্তি পেয়েছেন। কতবার কী নিয়মে পূজো করতে হবে, কীভাবে মন্ত্র বলতে হবে- সবই এআই বুঝিয়ে দিয়েছে।ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এই এআই পুরোহিত ব্যবহারের খবর ভাইরাল হয়েছে। প্রযুক্তির যুগে ধর্মীয় আচারেও আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে এমনটাই মনে করছেন অনেকে। এখন দেখার, আগামী দিনে এই প্রযুক্তি কতটা মানুষের দৈনন্দিন জীবনে এবং ধর্মীয় আচারে প্রভাব ফেলতে পারে।





