আরও পড়ুন– শনিবার থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন, রবিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রাজ্যে !
রাজ্যসভা নির্বাচনের মনোনয়নের শেষ দিন আজ পশ্চিমবঙ্গে। রাজ্যসভার পাঁচ জন প্রার্থীই মনোনয়ন জমা দেবেন। তৃণমূলের তরফে প্রাক্তন আইপিএস রাজীব কুমার, অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক, আইনজীবী মানেকা গুরুস্বামী এবং বাবুল সুপ্রিয় মনোনয়ন দাখিল করবেন। পাশাপাশি, বিজেপির তরফে মনোনয়ন জমা দেবেন রাহুল সিং। শুক্রবার স্ক্রুটিনির দিন রয়েছে। ৯ তারিখ মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। ওই দিন জয়ীর শংসাপত্র পেয়ে যাবেন মনোনয়নকারীরা। যদিও ১৬ মার্চ রাজ্যসভা ভোটের দিন ধার্য হয়েছে। যে হেতু কোনও অতিরিক্ত প্রার্থী মনোনয়ন দেননি, তাই ভোট হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।
advertisement
আগামী ২ এপ্রিল রাজ্যসভায় মেয়াদ শেষ হচ্ছে তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী, সমাজকর্মী সাকেত গোখলে এবং তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসি-র সভাপতি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের। মৌসম বেনজির নূরের মেয়াদও এই সময়েই শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু জানুয়ারি মাসে তিনি তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদপদ ত্যাগ করে কংগ্রেসে যোগদান করেন। তাই তাঁর আসন আগে থেকেই শূন্য হয়ে রয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস পাঠাতে চলেছে রাজ্যের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার, রাজ্যের মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, আইনজীবী মানেকা গুরুস্বামী ও অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিককে। বিজেপির তরফে প্রার্থী হল রাহুল সিনহা।
ঋতব্রত মাত্র দেড় বছরের ভাঙা মেয়াদে রাজ্যসভায় কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন। আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন প্রাক্তন আমলা জহর সরকার। সেই শূন্য আসনেই ঋতব্রতকে সংসদে পাঠায় তৃণমূল। এই স্বল্প সময়েই সংসদে তাঁর কাজে সন্তুষ্ট দল। কিন্তু তৃণমূলের একাংশের দাবি, বিধানসভা নির্বাচনে ঋতব্রতকে প্রার্থী করতে চায় দল। শেষপর্যন্ত এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন মমতা। আরটিআই কর্মী সাকেত আবার লুইজিনহো ফেলেইরোর ছেড়ে দেওয়া আসনে রাজ্যসভায় গিয়েছিলেন। তিনিও রাজ্যসভায় পূর্ণাঙ্গ মেয়াদ পাননি। রাহুল সিনহা দীর্ঘদিনের বিজেপি নেতা তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে বিজেপি। আবার বাবুল সুপ্রিয় দীর্ঘদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও সাংসদ থেকেছেন মোদি ক্যাবিনেটে। তাঁকে আবার উচ্চকক্ষে পাঠাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজনীতিতে একেবারে নতুন মুখ হিসাবে যাচ্ছেন রাজীব কুমার, মেনকা গুরুস্বামী ও কোয়েল মল্লিক।
