এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ” লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সারাজীবন পেতে চান তো? তাহলে জোড়াফুল।”
প্রসঙ্গত, নির্বাচন ঘোষণার আগেই রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেটে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বাড়িয়ে ১৫০০ করা হয়েছে। আর এই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার আজীবন বিষয়টিও বুধবার জানালেন তিনি।
একইসঙ্গে তিনি বলেন, “এখানে বিশ্ববাংলা বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে। বিশ্ববাংলার নামে হয়েছে, কারণ অনেকে শান্তিনিকেতনে পড়তে চায়।”
advertisement
তাঁর কথাতে উঠে আসে তারাপীঠের কথাও। তিনি বলেন, “কঙ্কালীতলায় ২ কোটি টাকা ব্যয়ে উন্নয়ন করা হয়েছে। এখন তারাপীঠ গেলে চমকে উঠবেন, কী ছিল, আর কী হয়েছে। বক্রেশ্বর শিব মন্দির কত বিখ্যাত।”
এছাড়াও তিনি বলেন, “শাল নদীর উপরে সেতু নির্মাণ সতেরো কোটি টাকা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক, বোলপুরে একটি নানুর দুটো কর্মতীর্থ করা হয়েছে।
বীরভূমে হস্তশিল্প বিখ্যাত বলে তিনি জানান। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এখানে আসলে আমরা উত্তরীয় কিনি। এখানকার ব্যাগ, বিদেশিরা এসে কিনে নিয়ে যায়। বোলপুর থেকে নানুরের দূরত্ব খুব কম।”
এরপরেই তাঁর কথায় উঠে কৃষকদের কথা। এই প্রসঙ্গে মমতা বলেন, “কৃষকরা আমার গর্ব। মাঠে মনে হচ্ছিল মসলিন পাতা আছে। আলুচাষি, ধানচাষিদের জন্য শস্যবীমা আছে। চাষিদের আমরা ১০০০ টাকা দেওয়া হয়, ভাগচাষী দের ৪০০০ টাকা দেওয়া হয়। আগে যারা সেচের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগকে বিল দিতেন, সেটাও এখন বিনামূল্যে করে দিয়েছি।”
