TRENDING:

Tusu Parab: আগুনের তেজে টগবগ করে ফুটছে ঘি, তাতেই খালি হাত ডুবিয়ে তৈরি হচ্ছে পিঠে! দেখলে গায়ে কাঁটা দেবে

Last Updated:

Purulia Tusu Parab: গরম ঘিয়ে হাত ডুবিয়ে পিঠে ছাঁকার প্রচলন, প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ধরে চলছে এই নিয়ম। দেখতে ভিড় করেন বহু মানুষ।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
ঝালদা, পুরুলিয়া, শর্মিষ্ঠা ব্যানার্জি: পুরুলিয়ার পর্যটনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে মুরগুমা জলাধার। ‌ বিগত বহু বছর আগে আনুমানিক ১৯৫৫ সালে সুকু কর্মকার, নিবারণ কর্মকার, নন্দলাল মাহাত, বুধু কালিন্দী, তিলক কালিন্দী সহ অন্যান্য আন্দোলনকারীরা মুরগুমা জলাধার তৈরির জন্য আন্দোলন করেছিলেন। ‌ তাদের আন্দোলনের ফলস্বরূপ তৈরি হয়েছিল পুরুলিয়ার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র মুরগুমা ড্যাম।‌ তাদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে প্রতি বছর মুরগুমা জলাধারে টুসু মেলার আয়োজন করা হয়। মাঘ মাসের দু তারিখে এই মেলা হয়।
advertisement

এর মূল আকর্ষণ গ্রাম দেবতা ভান সিং ঠাকুরের জন্য বিশেষ ভোগ তৈরি। রীতি অনুসারে এখানে গরম ঘি-এর মধ্যে হাত ডুবিয়ে পিঠে ছাঁকার রীতি প্রচলিত রয়েছে। ‌যা বছরের পর বছর চলে আসছে। এই পিঠে ছাঁকা দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ভিড় করেন গ্রাম থানে। এছাড়াও থাকে টুসু প্রতিযোগিতার আয়োজন। আশেপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকে মহিলারা চৌডল হাতে নিয়ে টুসু নৃত্য, গীত উপস্থাপন করতে করতে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন।

advertisement

আরও পড়ুন: প্লাস্টিকই এবার পুজোর অলংকার, ফেলনা বোতল-চামচে চমকে দেওয়ার তোড়জোড়! সরস্বতী পুজোয় নয়া ভাবনা

এরই পাশাপাশি মুরগুমা জলাধারে টুসু বিসর্জন অনেকে। এ বিষয়ে জেলা পরিষদের সদস্য অর্জুন মাহাতো বলেন, আন্দোলনকারীদের সেই দিনের প্রচেষ্টার ফল মিলছে আজ। বর্তমানে এই ড্যাম পুরুলিয়ার পর্যটনে গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। প্রতিবছর এই মেলা হয়ে থাকে। শুধু স্থানীয় এলাকার মানুষজন নয় পর্যটকেরাও এই মেলা ভীষণভাবে উপভোগ করেন। এবিষয়ে বেগুনকোদর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান অমর মাহাতো বলেন, এই মেলা তাদের ঐতিহ্য।

advertisement

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
জেলা পেল ব্যাডমিন্টন ও টেবিল টেনিস খেলার পরিকাঠামো, হবে ক্রীড়া ক্ষেত্রে অগ্রগতি!
আরও দেখুন

পর্যটকরাও খুবই আনন্দ উপভোগ করেন এই অনুষ্ঠানে। এ-বছর প্রায় ৩০-টি টুসু প্রতিযোগিতার জন্য এসেছিল। এই টুসু প্রতিযোগিতা এই মেলার আকর্ষণ আরও বাড়িয়ে দেয়। ‌ এ বিষয়ে গ্রামের বাসিন্দা ঢোল গোবিন্দ মাহাতো ও শেফালী মাহাতো বলেন, বহু বছর থেকে তারা এই পুজো দেখে আসছেন। মূলত গরম ঘিয়ে হাত ডুবিয়ে পিঠে ছাঁকা দেখতেই ভিড় করেন অনেকে। এটাই এই পুজো ও মেলার ঐতিহ্য। মুরগুমা জলাধারে এই পুজো ও মেলাকে ঘিরে মানুষের মধ্যে উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা থাকে তুঙ্গে। সারা বছর এর অপেক্ষায় থাকেন তারা।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Tusu Parab: আগুনের তেজে টগবগ করে ফুটছে ঘি, তাতেই খালি হাত ডুবিয়ে তৈরি হচ্ছে পিঠে! দেখলে গায়ে কাঁটা দেবে
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল