এর মূল আকর্ষণ গ্রাম দেবতা ভান সিং ঠাকুরের জন্য বিশেষ ভোগ তৈরি। রীতি অনুসারে এখানে গরম ঘি-এর মধ্যে হাত ডুবিয়ে পিঠে ছাঁকার রীতি প্রচলিত রয়েছে। যা বছরের পর বছর চলে আসছে। এই পিঠে ছাঁকা দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ভিড় করেন গ্রাম থানে। এছাড়াও থাকে টুসু প্রতিযোগিতার আয়োজন। আশেপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকে মহিলারা চৌডল হাতে নিয়ে টুসু নৃত্য, গীত উপস্থাপন করতে করতে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন।
advertisement
আরও পড়ুন: প্লাস্টিকই এবার পুজোর অলংকার, ফেলনা বোতল-চামচে চমকে দেওয়ার তোড়জোড়! সরস্বতী পুজোয় নয়া ভাবনা
এরই পাশাপাশি মুরগুমা জলাধারে টুসু বিসর্জন অনেকে। এ বিষয়ে জেলা পরিষদের সদস্য অর্জুন মাহাতো বলেন, আন্দোলনকারীদের সেই দিনের প্রচেষ্টার ফল মিলছে আজ। বর্তমানে এই ড্যাম পুরুলিয়ার পর্যটনে গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। প্রতিবছর এই মেলা হয়ে থাকে। শুধু স্থানীয় এলাকার মানুষজন নয় পর্যটকেরাও এই মেলা ভীষণভাবে উপভোগ করেন। এবিষয়ে বেগুনকোদর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান অমর মাহাতো বলেন, এই মেলা তাদের ঐতিহ্য।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পর্যটকরাও খুবই আনন্দ উপভোগ করেন এই অনুষ্ঠানে। এ-বছর প্রায় ৩০-টি টুসু প্রতিযোগিতার জন্য এসেছিল। এই টুসু প্রতিযোগিতা এই মেলার আকর্ষণ আরও বাড়িয়ে দেয়। এ বিষয়ে গ্রামের বাসিন্দা ঢোল গোবিন্দ মাহাতো ও শেফালী মাহাতো বলেন, বহু বছর থেকে তারা এই পুজো দেখে আসছেন। মূলত গরম ঘিয়ে হাত ডুবিয়ে পিঠে ছাঁকা দেখতেই ভিড় করেন অনেকে। এটাই এই পুজো ও মেলার ঐতিহ্য। মুরগুমা জলাধারে এই পুজো ও মেলাকে ঘিরে মানুষের মধ্যে উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা থাকে তুঙ্গে। সারা বছর এর অপেক্ষায় থাকেন তারা।





