জানা গিয়েছে ষাটের দশকে বিড়লা শিল্প ও কারিগরি সংগ্রহশালা ভ্রাম্যমান বিজ্ঞান প্রদর্শনীর অভিনব পরিকল্পনা শুরু করে । সেই উদ্দেশ্যে একটি বড় বাসে ২৪ টি বিজ্ঞান মডেল নিয়ে একটি ছোট সংগ্রহশালা তৈরি হয়। এবং সেই সংগ্রহশালাগুলি বিভিন্ন জেলায় ঘোরানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়। ১৯৬৬ সালে প্রথম পুরুলিয়া জেলা স্কুলে বিজ্ঞান প্রদর্শনী হয়। পরবর্তীতে ১৯৬৭ সালে শিক্ষক নিতাই গাঙ্গুলীর উদ্যোগে মানভূম ভিক্টোরিয়া বিদ্যালয় দুটি শ্রেণিকক্ষ নিয়ে শুরু হয় বিজ্ঞান কেন্দ্রের পথ চলা।
advertisement
আরও পড়ুন: মালদহ ভ্রমণে গিয়ে মিস করবেন না! গৌড়ের এই প্রাচীন জাহাজ ঘাট না দেখলে আপনার সফর থাকবে অপূর্ণ
পরবর্তীতে পুরুলিয়ার জনগণের প্রচেষ্টায় পৌরসভার সাহেব বাঁধের পাড়ে একর জমিতে গড়ে ওঠে জেলা বিজ্ঞান কেন্দ্র। ১৯৮২ সালের ১৫ ডিসেম্বর জেলা বিজ্ঞান কেন্দ্রের মূল ভবনটি নির্মিত হয়। আর তারপর থেকেই সগৌরবে নিজের ঐতিহ্য বজায় রেখেছে জেলা বিজ্ঞান কেন্দ্র। এ বিষয়ে জেলা বিজ্ঞান কেন্দ্রের আধিকারিক ধ্রুবজ্যোতি চট্টোপাধ্যায় বলেন, ভারত সরকার তিনটি স্তরে বিজ্ঞান কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছিল। সেই সময় পুরুলিয়াকেই তারা বেছে নিয়েছিল জেলা বিজ্ঞান কেন্দ্র হিসাবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এটা এই জেলার গর্ব। প্রথম ভ্রাম্যমান বিজ্ঞান বাস পুরুলিয়াতেই এসেছিল। পরবর্তীতে পুরুলিয়ায় এশিয়ার মধ্যে জেলা ভিত্তিক প্রথম বিজ্ঞান কেন্দ্র হয়। মানভূমের ঐতিহ্য পুরুলিয়া জেলা বিজ্ঞান কেন্দ্র। এই বিজ্ঞান কেন্দ্রে বহু ছাত্র-ছাত্রী বিজ্ঞানের শিক্ষা অর্জন করে। এই বিজ্ঞান কেন্দ্রের ছাত্র-ছাত্রীরা আজ দেশে-বিদেশে বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে। পুরুলিয়া জেলা বিজ্ঞান কেন্দ্র শুধু জেলা নয়, সমগ্র বাংলার গর্ব বলেই জানান স্থানীয়রা।





