তাঁর আচরণে অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করে গ্রামবাসীদের সন্দেহ হয়। এরপরই তারা বিষয়টি রঘুনাথপুর থানার পুলিশকে জানায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় রঘুনাথপুর থানার পুলিশ। পুলিশ ওই মহিলাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার চেষ্টা করলে তিনি নিজের নাম, ঠিকানা বা কোনও পরিচয়ই স্পষ্টভাবে জানাতে পারেননি। তাঁর কথাবার্তা ও আচরণ থেকে পুলিশ বুঝতে পারে তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় রয়েছেন। এরপরই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে তাঁকে রঘুনাথপুর থানায় নিয়ে আসা হয়।
advertisement
এই প্রসঙ্গে রঘুনাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক অতনু সাঁতরা জানান, “থানায় নিয়ে আসার পরও ওই মহিলা নিজের নাম, ঠিকানা বা পরিবারের কোনও তথ্য দিতে পারেননি। পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং তাঁর নিরাপত্তার কথা ভেবে পুলিশ সিদ্ধান্ত নেয়, তাঁকে একটি নিরাপদ আশ্রয়ে পাঠানোর। সেই অনুযায়ী তাঁকে পুরুলিয়ার একটি আশ্রমের সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।” বর্তমানে ওই মহিলা পুরুলিয়ার আপনা ঘর আশ্রমে আশ্রয় পেয়েছেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
আশ্রমের সম্পাদক সুজিত সুলতানিয়া জানান, “মহিলাকে আশ্রমে আনার পর থেকে তার শারীরিক অবস্থা স্বাভাবিক রয়েছে এবং তিনি অনেকটাই সুস্থ আছেন। তবে এখনও পর্যন্ত তিনি নিজের নাম, ঠিকানা বা পরিবারের কোনও তথ্য জানাতে পারেননি। যার ফলে তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করাও সম্ভব হচ্ছে না। পুলিশের এই মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অসহায় এক মহিলাকে উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে পৌঁছে দেওয়ার ঘটনায় পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা আরও একবার দৃঢ় হল বলে মনে করছেন এলাকার মানুষ।





