প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা নিজস্ব সংস্কৃতি, লোকাচার ও ঐতিহ্যকে সমাজের সামনে তুলে ধরাই এই কারাম উৎসবের মূল উদ্দেশ্য। রঙিন ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত আদিবাসী নারী-পুরুষেরা নৃত্য ও গানের মাধ্যমে উৎসবকে করে তুলেছেন আরও প্রাণবন্ত। ঢোল-ধামসার তালে তালে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে মেতে ওঠেন সকলে।
advertisement
এই উৎসব উপলক্ষে কারাম দেবতার আরাধনায় নানা পুজো-পার্বণ ও ধর্মীয় রীতিনীতির পালন করা হয়। আদিবাসী সমাজের বিশ্বাস অনুযায়ী, কারাম উৎসবের মাধ্যমে সুখ, সমৃদ্ধি ও মঙ্গলের কামনা করা হয়। বর্তমানে কাশীপুরের ভুরকুড়া গ্রামে জাঁকজমকপূর্ণভাবে এই উৎসব পালিত হচ্ছে।
গ্রামের বাসিন্দা ও উৎসবে অংশগ্রহণকারী যুবক নরেশ পাঁওরিয়া জানান, কারাম উৎসব তাঁদের বংশপরম্পরায় চলে আসছে। আদিবাসী সমাজের নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতেই এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মাঘী পূর্ণিমার সময় দুই দিন ব্যাপী এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
কারাম উৎসবকে কেন্দ্র করে পুরুলিয়ার আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকাগুলি এখন আনন্দ ও উৎসাহে ভরপুর। এই উৎসবের মধ্য দিয়েই আদিবাসী সংস্কৃতির স্বতন্ত্র ও বৈচিত্র্যময় রূপ স্পষ্টভাবে ফুটে উঠছে।





