কথিত আছে কুম্ভ স্নানের মতনই পবিত্র এই বারণী স্নান। পুণ্যার্থীরা স্নান সেরে দেউলঘাটা মন্দিরে পুজো দিয়ে মেলায় অংশগ্রহণ করেন। এ-বছর পুণ্যার্থীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মত। পুণ্যলাভের আশায় আট থেকে আশি সকলেই ভিড় করেন এই জায়গায়। অনেকেই এই জল বাড়ি নিয়ে যান। যে কোনও শুভ অনুষ্ঠান বা শুভ কাজে যাওয়ার সময় এই জল ব্যবহার করেন।
advertisement
এ বিষয়ে এই মন্দিরে আসা এক পুণ্যার্থী মামনি কৈবর্ত্য বলেন, ঐতিহ্যবাহী এই উৎসব। বহু যুগ থেকে এই বারণী স্নান হয়ে আসছে। প্রতিবছর তিনি এই পূর্ণ স্নান করতে আসেন। এ-বছরও এসেছেন। বহু ঐতিহাসিক নিদর্শন দেখতে পাওয়া যায় দেউলঘাটা মন্দিরে। এই মন্দির প্রাঙ্গণে বসে মেলা। মেলাতেও বিভিন্ন রকমারি দোকানের সম্ভার নিয়ে হাজির হন বিক্রেতারা। সারা বছর তারা এই দিনের অপেক্ষায় থাকেন। কারণ এই স্নানে পুণ্য অর্জন হয় বলে বিশ্বাস।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগম হয় এই সময় পূণ্য স্নানের জন্য। প্রাচীন প্রথা মেনে মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশীর তিথিতে কংসাবতী নদীতে ডুব দেন পুণ্যার্থীরা। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষের সমাগম হয় আড়শার এই দেউলঘাটায়। থাকে কড়া পুলিশি নজরদারি। আনন্দ উৎসব মুখরিত পরিবেশ হয়ে থাকে চারিদিকে।





