বিগত বেশ কয়েকটা বছরে এলাকার মানুষের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গিয়েছেন তিনি। গ্রামাঞ্চলের সরল সাদাসিদে মানুষগুলো যারা সরকারি দফতরে যেতে অনেক সময় দ্বিধাদন্ধের মধ্যে পড়ে যেতেন। তাদের কাছে সরাসরি পৌঁছে যেতেন বিডিও গোপাল সরকার।
আরও পড়ুন: শিলিগুড়িতে নাগরিক পরিষেবায় নতুন জোয়ার! অ্যাম্বুল্যান্স টু টোটো, একগুচ্ছ উপহার পুরনিগমের
advertisement
যে-কোনও সময় মানুষের সমস্যার কথা শুনলেই ছুটে যেতেন। নিজের ব্লক অফিসেই এলাকার মানুষের মনের কথা শুনতে রেখেছিলেন ‘মনের খাতা’ যেখানে ব্লকে আসা মানুষজন নিজের অভিজ্ঞতার কথা লিখে যেতেন। এছাড়াও টেবিলের উপর রাখতেন একটি চকলেটের বাক্স। যাতে ব্লক অফিস এসে কেউ খালি হাতে ফিরে না যায়। সকলের হাতে একটি করে চকলেটও তুলে দিতেন তিনি। তার এই সমস্ত কর্মকাণ্ড তাকে সকলের প্রিয় করে তুলেছিল।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তবে এবার যে চলে যাওয়ার পালা। কারণ সরকারিভাবে নির্দেশিকা জারি হয়েছে তার বদলির। তিনি দার্জিলিং -এর ডিএমডিসি পদে যোগদান করছেন। মনের মানুষ, ঘরের ছেলে চলে যাওয়ায় মন ভার আড়ষার বাসিন্দাদের। এবিষয়ে আড়ষার চিতিডি গ্রামের বাসিন্দা ভক্তিপদ মাহাতো ও পূর্ণিমা মাহাতো বলেন, “বিডিও সাহেব চলে যাওয়াতে আমাদের সকলেরই মন খারাপ। কারণ তিনি এতদিনে আমাদের পরিবারের সদস্যের মতোই হয়ে গিয়েছিলেন। যে কোনও সমস্যার কথা শুনলেই তিনি ছুটে আসতেন। তাই তার বদলিতে আমাদের সকলেরই মন ভার।”
এলাকার মানুষের মনের মানুষ বিডিও গোপাল সরকার। মানুষের সমস্যার কথা শুনলেই তিনি সঙ্গে সঙ্গে ছুটে যেতেন সেখানে। একেবারে পরিবারের মানুষের মতোই পাশে দাঁড়াতেন আড়ষা ব্লক এলাকার বাসিন্দাদের। তিনি যে আড়ষাবাসীর প্রাণের মানুষ মনের মানুষ। তাই চোখের জলেই বিডিওকে বিদায় জানাচ্ছে এলাকার মানুষজন।





