সুজাতা বিধাননগরের চকের ভেরি এফ.পি. স্কুলের শিক্ষিকা। প্রায় ৩০ বছর ধরে শিক্ষকতা করছেন তিনি। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৯ মার্চ নির্বাচন প্রশিক্ষণে যোগ দিতে টিটাগরের উমা শশী উচ্চ বিদ্যালয়ে যান তিনি। প্রশিক্ষণ শেষে বেরিয়ে আর বাড়ি ফেরেননি। দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও তাঁর কোনও খোঁজ না মেলায় দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে পরিবার।
advertisement
স্বামী বলাই ঘোষ, পেশায় মাছ ব্যবসায়ী, টিটাগর থানায় স্ত্রীর নিখোঁজের ডায়েরি দায়ের করেছেন। তারপর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ চালাচ্ছেন তিনি, কখনও জেলা শাসকের দফতরে, কখনও পুলিশ প্রশাসনের দ্বারস্থ হচ্ছেন অসহায় স্বামী। তাঁদের বাড়ি মহিষবাথান ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানার অন্তর্গত এলাকায়। পরিবারের দাবি, সুজাতা কিছুটা ভুলো মনের মানুষ ছিলেন। ফোন নম্বরও ঠিকমতো মনে রাখতে পারতেন না। এই সমস্যা নিয়ে চিকিৎসাও চলছিল বলে জানা গেছে। এমন পরিস্থিতিতে হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যাওয়ায় উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
প্রসঙ্গত, এই প্রথমবার নির্বাচনী দায়িত্বে নিযুক্ত করা হয়েছিল তাঁকে। শারীরিক অসুস্থতার কথা প্রশাসনকে জানানো হলেও প্রথম প্রশিক্ষণে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ পরিবারের। এদিকে, বাড়িতে রয়েছেন তাঁদের ২১ বছরের মেয়ে। মায়ের খোঁজ না পেয়ে পড়াশোনা ছেড়ে উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছে সেও। পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও খোঁজ মেলেনি। নির্বাচনের আবহে এই ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। দ্রুত সুজাতা ঘোষ মজুমদারের খোঁজ মিলুক চাইছে পরিবার।
রুদ্র নারায়ণ রায়





