তাদের কেউ কেউ যুক্ত হতে চলেছেন ভারতীয় সেনাবাহিনীতে, কেউ নৌবাহিনী ও কেউ এসএসজিডি আধা সামরিক বাহিনীতে। ২০১৯ সাল থেকে পথ চলা শুরু হয়েছিল এই ইনস্টিটিউটের। এখনও পর্যন্ত প্রায় ১৪০ জন ছাত্র-ছাত্রী এখান থেকে চাকরি সুযোগ পেয়েছেন। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ভারতের প্রাক্তন সেনা কর্মী অনুপ কুমার মাহাতো এই ইনস্টিটিউটে ছাত্র-ছাত্রীদের ফিজিক্যাল ট্রেনিং দিয়ে থাকেন। এছাড়াও এখানে পড়াশোনার জন্য বিভিন্ন সরকারি দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা ট্রেনিং দিতে আসেন। অনুপ বাবুর এই প্রচেষ্টায় পুরুলিয়ার ছাত্র-ছাত্রীরা দেশ সেবায় নিয়োজিত হতে পারছেন।
advertisement
এ বিষয়ে অনুপ কুমার মাহাতো বলেন, তার মূল উদ্দেশ্য ছিল ছাত্র-ছাত্রীদের মাঠে সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত করে তোলা। কারণ অনেকেই পরীক্ষায় পাশ করার পরেও মাঠে ফেল করে যায়। তাই নিজের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি পুরুলিয়ার ছেলে-মেয়েদের প্রস্তুত করে তুলছেন। যাতে কেউ ফিজিক্যাল ফিটনেসের জন্য বাদ না পড়ে যায়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এ বিষয়ে প্রশিক্ষণরত এক ছাত্র মহেশ্বর গড়ায় বলেন, তিনি একসঙ্গে দুটো চাকরি পেয়েছেন। এতে তার ভীষণই ভাল লাগছে। খুবই ভাল ট্রেনিং হয় এখানে। এ বিষয়ে পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি নিবেদিতা মাহাতো বলেন, অনুপ মাহাতো যেভাবে পুরুলিয়া ছেলে-মেয়েদের জন্য উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে এসেছেন তা প্রশংসনীয়। একসঙ্গে ২১ জন ছেলেমেয়ে বিভিন্ন জায়গায় চাকরি পেয়েছে অনুপ বাবুর কাছে ট্রেনিং নিয়ে। এটা জঙ্গলমহলের গর্ব। বহু ক্ষেত্রেই দেখা যায় রিটেন পরীক্ষায় পাশ করার পরেও ফিজিক্যাল ট্রেনিং-এ পিছিয়ে পড়ে পড়ুয়ারা। সেই সমস্ত ছেলে-মেয়েদের সঠিকভাবে গাইড করতে এগিয়ে এসেছেন প্রাক্তন সেনা কর্মী অনুপ কুমার মাহাতো। তাকে নিয়ে গর্বিত গোটা জঙ্গলমহল।





