প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার টাকার স্থানীয় ও সহজলভ্য উপকরণ ব্যবহার করে, দিনের পর দিন অক্লান্ত পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে এই চৌডলটি নির্মাণ করেছেন গ্রামের গৃহবধূরা। তাঁদের এই উদ্যোগ গ্রামীণ শিল্পচর্চা ও লোকসংস্কৃতির সংরক্ষণে এক নতুন দিশা দেখাচ্ছে বলেই মনে করছেন সংস্কৃতিপ্রেমীরা।
advertisement
নির্মাণকারীদের মধ্যে জ্যোৎস্না মাহাতো, মমতা মাহাতো, পূর্ণিমা মাহাতো ও সবিতা মাহাতোরা জানান, রাত-দিন পরিশ্রম করেই তাঁরা এই টুসু চৌডলটি সম্পূর্ণ করেছেন। তাঁদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও নিষ্ঠার ফলেই এত বড় এবং আকর্ষণীয় এক শিল্পকর্ম সম্ভব হয়েছে। এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে ঘিরে সিঁদুরপুর-সহ গোটা মানবাজার এলাকায় উৎসাহ ও উচ্ছ্বাসের আবহ তৈরি হয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
গ্রামীণ সমাজে থেকেও যে সৃজনশীলতার মাধ্যমে লোকসংস্কৃতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব, মানবাজারের এই গৃহবধূদের উদ্যোগ তা আরও একবার প্রমাণ করে দিল। লোকসংস্কৃতির ধারক ও বাহক হিসেবে নারীর ভূমিকা যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, এবং তাঁদের হাত ধরেই যে গ্রামীণ সংস্কৃতি বিশ্বমুখী হতে পারে, এই টুসু চৌডল তারই উজ্জ্বল উদাহরণ।





