নিজে প্রার্থী হতে পারাই আসল কারণ হলেও ঘুরিয়ে মহিলা প্রার্থী কম দেওয়া হয়েছে দাবি করে দলের জেলা সভাপতির পদ ছাড়লেন তিনি। তাঁর কথায়, জেলার ১৬ আসনে মহিলা প্রার্থী মাত্র একজন! বীরাঙ্গনা মাতঙ্গিনী হাজরার জেলায় প্রার্থী তালিকায় মহিলাদের ৫০ শতাংশ সংরক্ষণ নেই।
advertisement
১৬ টি আসনে মাত্র একটি আসনে মহিলা প্রার্থী। তা নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েই জেলা মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় জানালেন তমলুক সাংগঠনিক জেলার মহিলা সংগঠনের সভানেত্রী শিবানী দে কুণ্ডু। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিযোগ করেন, ‘বীরাঙ্গনা মাতঙ্গিনী হাজরার নাম উল্লেখ করে গর্ব অনুভব করি সেই সঙ্গে আমরা মহিলাদের ৫০ শতাংশ সংরক্ষণের কথা বলি। কিন্তু সেই বীরাঙ্গনার জেলাতেই দেখা গেল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকায় ১৬ জন প্রার্থীর মধ্যে একজনই মহিলা স্থান পেয়েছেন।’
পাশাপাশি, তিনি ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাক-এর বিরুদ্ধেও কটাক্ষ করেছেন শিবানী। ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোট তৃণমূলের কাছে ‘অগ্নিপরীক্ষা’। ১৫ বছরের স্থিতাবস্থা বিরোধিতার বোঝা মাথায় নিয়ে তাদের যেতে হচ্ছে জনগণের দরবারে। ১৫ বছরের প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার ‘চাপ’ এবং কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপির আগ্রাসী প্রচারের মোকাবিলায় তিনি সেই সব নেতা-নেত্রীর উপরেই ভরসা রেখেছেন, যাঁরা গত পাঁচ বছর ধরে নিরবচ্ছিন্ন ভাবে সাংগঠনিক সক্রিয়তা দেখিয়েছেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।
সুজিত ভৌমিক
