২ এপ্রিল নন্দীগ্রাম বিধানসভার জন্য তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন পবিত্র কর। মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার আগে হলদিয়ায় তৃণমূল একটি জনসভা করে।
২৩ এপ্রিল পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ১৬ টি বিধানসভা আসনে ভোট গ্রহণ। ফলে হাতে আর বেশি সময় নেই। সময় যত এগোচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলির প্রচার ব্যস্ততা বাড়ছে। বাড়ি বাড়ি প্রচারে গিয়ে জয়ের বিষয়ে আত্মপ্রত্যয়ী পবিত্র কর। ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে। হাইভোল্টেজ নন্দীগ্রামের এবারের তৃণমূলের বাজি একদা শুভেন্দু অধিকারীর শিষ্য পবিত্র কর।
advertisement
আরও পড়ুন: অবশেষে স্বস্তি, স্কুল সার্ভিস কমিশনের কর্মীদের নির্বাচনের কাজ থেকে অব্যাহতি! সমস্যা মিটল হাইকোর্টে
তৃণমূল কংগ্রেস থেকে তিনি প্রার্থী হয়েছেন নন্দীগ্রামে। গুরু শিষ্যের এই লড়াই আবারও রাজ্য রাজনীতির শিরোনামে এনে দিয়েছে নন্দীগ্রামকে। নন্দীগ্রামের মাটির আটঘাট চেনে পবিত্র কর। ফলে প্রচারে বিন্দুমাত্র কসুর করছেন না। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার কালে শুভেন্দু অধিকারীকে হেভিওয়েট বলতে নারাজ পবিত্র কর।
পবিত্র কর জয়ের বিষয়ে রীতিমতো আশাবাদী। তিনি বলেন, “সাংবাদিকদের কাছেই তিনি হেভিওয়েট। জনগণ যখন যাঁর পাশে থাকে তখন তাঁর ওয়েট বেড়ে যায়। আমার কাছে উনি হেভিওয়েট নয়। কারণ ওনার সঙ্গে জনগণ নেই। তাই ওয়েট কমে গিয়েছে। প্রথমবার ভোটে দাঁড়িয়েছি তবে জয়ের বিষয়ে ১০০ শতাংশ আশাবাদী। লড়াই করছি শুধু জয়ের ব্যবধান বাড়ানো নিয়ে। নিচুস্তরের গ্রামে গ্রামে মানুষের সঙ্গে আমার পারিবারিক ও আত্মীয়তার সম্পর্ক। তাই আমার জয় নিশ্চিত। আমার ওই জায়গায় জন্ম রাস্তাঘাট অলিগলি সবকিছুই চিনি। তাই এই লড়াই দেওয়া সম্ভব হয়েছে।”
আরও পড়ুন: ‘এসআইআর করে ভোটের আগে সর্বনাশ করল’! সুতিতে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ, অশান্তির আঁচও করলেন তৃণমূলনেত্রী
নন্দীগ্রামের এই গুরু-শিষ্যের লড়াই এবারের বিধানসভা নির্বাচনকে বাড়তি মাত্রা দিয়েছে। হলদিয়া মহকুমা শাসক দফতরে এদিন মনোনয়নপত্র জমা দেন পবিত্র কর। প্রথমবার বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে ভোট লড়ছেন পবিত্র কর। কিন্তু তিনি জানান তিনি এলাকার ভূমিপুত্র তাই তাঁর পক্ষে এই লড়াই কোনও কঠিন লড়াই নয়। নন্দীগ্রামের এই গুরু শিষ্যের লড়াইয়ে কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমি ছেড়ে দিতে নারাজ। সেই দ্বীপ্ত কন্ঠস্বর যেন পবিত্র করের গলায়। ২৩ এপ্রিল নন্দীগ্রামের সাধারণ মানুষ তাঁকে বেছে নেবে তা সময়ই বলবে।





