মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মোহন যাদব বললেন, ‘‘মমতা দিদি বাঙালি মানুষের অধিকার বাংলাদেশকে দিতে চাইছেন। তাই এই নির্বাচন ধর্মযুদ্ধের। এই পরিস্থিতিতে শ্রীরামের মন্ত্র আমাদের সবাইকে শক্তি দিচ্ছে। আজ আমাদের বঙ্গে এখানকার যুবক-মহিলা-গরিব-কৃষক সবাই পরিবর্তনের জন্য দাঁড়িয়ে গিয়েছেন। সবাই নিজেদের সম্মান-অভিমান-গৌরবের জন্য লড়ছেন। আজ দুনিয়ার কোনও শক্তি বিজেপিকে বঙ্গে ক্ষমতায় আসতে আটকাতে পারবে না। বাঁকুড়া জেলাতে ১৫ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা মমতা দিদির রাজত্বে মানুষ পালাচ্ছেন। কেউ ওড়িশা যাচ্ছে, কেউ মহারাষ্ট্র যাচ্ছে, কেউ ঝাড়খণ্ড যাচ্ছে। এখন এপার বাংলার যুবক গরীব হচ্ছে আর বাংলাদেশি ধনী হচ্ছে। উনি বললেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে গোটা বিশ্ব ভারতের মান-সম্মান বাড়তে দেখছে। বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশকারীরা আসছে আর আমাদের অধিকার দখল করছে। বাংলাদেশের লোকেদের জন্য বঙ্গে কোনও জায়গা নেই।’’
advertisement
বিজেপি জিততে চলেছে:
মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মোহন যাদব বললেন, ‘‘আপনাদের মুখের উজ্জ্বলতা বলছে রেজাল্ট আসতে চলেছে, বিজেপি জিততে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে আমরা সবাই একসঙ্গে, সবার উন্নয়ন, সবার বিশ্বাস, সবার চেষ্টা- এই মন্ত্রে চলছি। আজ আমাদের দেশে জনজাতির বোন রাষ্ট্রপতি পদে বসে আছেন। এতে বিজেপি-র নীতি আর কাজের ধরন বোঝা যায়। বামপন্থী-কংগ্রেস আর মমতা-র পার্টি কোনওদিন এসসি-এসটি-কে গুরুত্ব দেয়নি। গরিব থেকে গরিব মানুষের জীবন ভাল করার জন্য, তাঁকে পাকা বাড়ি দেওয়ার সাহস শুধু বিজেপির আছে। আজ গরিবকে পাকা বাড়ি, রেশন মিলছে। আজ এসসি-এসটি-দের ১০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত লোন স্ট্যান্ডআপ যোজনার মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে। ২৫ কোটি মানুষ দারিদ্র সীমা থেকে বেরিয়ে গিয়েছেন।
আমাদের দেশ শক্তিশালী অবস্থায় আছে:
মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মোহন যাদব বললেন, আজ বিশ্বজুড়ে হাহাকার চলছে। পেট্রোল-ডিজেলের দাম বেড়ে গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী মোদি-র নেতৃত্বে আমাদের দেশ উন্নতি করছে। সেই সময় গিয়েছে যখন জঙ্গিরা মহানগরে বিস্ফোরণ করে পালিয়ে যেত, আজ ভারত পাকিস্তানের ভিতরে ঢুকে জঙ্গিদের শেষ করে দেয়। ৫৬ ইঞ্চি ছাতির প্রধানমন্ত্রী মোদি-র নেতৃত্বে সেনার সাহস বেড়েছে। তাই বঙ্গের মানুষ শপথ নিয়েছে বিজেপি-কে ক্ষমতায় আনার। এখন মমতা দিদি-কে ‘বাই বাই’ বলার সময় এসেছে।
হিসাব মেটানোর সময় এসেছে:
মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মোহন যাদব বললেন, ‘‘এই পরিবেশ বলছে বিজেপি-ই জিতবে পশ্চিমবঙ্গে। মমতা দিদির সরকারে শিক্ষক কেলেঙ্কারি হয়েছে ৷ ২৬ হাজার নিয়োগ বাতিল হয়েছে। ওঁর শাসনে প্রধানমন্ত্রী আবাস কেলেঙ্কারি, মনরেগা কেলেঙ্কারি হয়েছে। মমতা শুধু হিন্দুদের অপমান করেছেন। উনি ২৪৭৮৮-র বেশি মামলা দিয়ে বোনদের লজ্জিত করেছেন। এই সব সমস্যা শেষ করার সময় এসেছে। এখন বাংলাকে এগিয়ে নেওয়ার সময় এসেছে। স্বাধীনতার আগে থেকে বাংলায় সবচেয়ে বেশি প্রতিভা ছিল। দুর্ভাগ্য যে আগে কমিউনিস্ট আর পরে মমতা-র পার্টি রাজ্যের অবস্থা খারাপ করেছে। আজ হিসাব মেটানোর সময় এসেছে। আমরা সবাই জীবন বাজি রেখে বিজেপি-কে জেতাবো। আমাদের এক একজনের বাড়ি যেতে হবে, ২৪ ঘণ্টা কাজ করতে হবে, আমরা বঙ্গে পদ্ম ফুটাবো এবং বিজেপিকে জেতাবো। যতক্ষণ না এক একটা ভোট বিজেপি-র পক্ষে পড়ে, ততক্ষণ শান্তিতে বসা যাবে না।’’
