এরই মধ্যে জানা যাচ্ছে, নন্দীগ্রামে এবার আর প্রার্থী দেবে না সিপিআইএম। বরং সেই আসনটি তারা ছেড়ে দেবে সিপিআই-কে। এর আগেও অবশ্য নন্দীগ্রামে প্রার্থী দিয়েছে সিপিআই। তবে, ২০২১ সালে হাইভোল্টেজ নন্দীগ্রামে একদিকে ছিলেন তৃণমূলের তরফে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী আর সিপিআইএম-এর তরফে মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। তবে, সেই মীনাক্ষীকে এবার দাঁড় করানো হয়েছে উত্তরপাড়া কেন্দ্র থেকে। স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে, তাহলে বামেদের হয়ে নন্দীগ্রামে দাঁড়াবে কে?
advertisement
প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর সিপিআইএমের শক্তিক্ষয় শুরু হয়। ২০১৬র বিধানসভা নির্বাচনে পাঁশকুড়া পূর্ব, তমলুক এবং হলদিয়া বিধানসভায় জয় পায় সিপিএম। ২০২১–এ পূর্ব মেদিনীপুরে একটি আসনও পায়নি সিপিএম। ওই বছর বিধানসভা নির্বাচনে পূর্ব মেদিনীপুরে ভাল ফল করে বিজেপি। বিজেপির উত্থানের সঙ্গে সঙ্গে জেলায় শক্তি হারাতে শুরু করে সিপিআইএম।
যার জেরে সমালোচনার তিরে বিদ্ধ হতে হয়েছে সিপিআইএমকে। আসলে নন্দীগ্রাম আসনে বরাবর প্রার্থী দিত সিপিআই। ২০২১ সালে বিধানসভায় এখানে প্রার্থী দিয়েছিল সিপিআইএম। প্রার্থী ছিলেন মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। এ বার সেই আসন শরিক দল সিপিআইকে ছেড়ে দিচ্ছে তারা। শুধু নন্দীগ্রাম নয়, কাঁথি দক্ষিণ, পটাশপুর এবং তমলুক আসনে বামফ্রন্টের জোটসঙ্গী সিপিআই প্রার্থী দেবে বলে জানা গিয়েছে।
