মা পরিত্যক্তা বিশেষভাবে সক্ষম ছেলে হয়ে উঠেছিল বোঝা, তাই ছেলেকে জলাশয়ের পাড়ে নিয়ে গিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করার পর দেহ ফেলে রেখে পালাল বাবা! নির্জন এলাকায় পরে থাকা শিশুর দেহের কিছুটা অংশ খুবলে খায় শিয়াল।পুলিশি জেরায় খুনের কথা স্বীকার বাবার,পুলিশ অভিযুক্ত বাবা-কে গ্রেফতার করেছে।
রোমহষর্ক ঘটনার সাক্ষী মেমারীর বড়পলাশন কলাদিঘীরপাড় এলাকা।ধৃতের নাম সোনালাল মান্ডি।
advertisement
মৃত শিশুর নাম সূর্য মান্ডি(৩),বাড়ি মেমারী থানার মন্ডলগ্রাম এলাকায়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,সূর্য মান্ডি জন্মের পর থেকেই চোখে দেখতে পারতো না,হাত-পা ঠিক করে নাড়তে পারতো না।জন্মের কয়েক মাসের মধ্যেই ছেলেকে রেখে দিয়ে পালিয়ে যায় মা,এরপর কিছুদিন দিদিমার কাছেই ছিল সূর্য,এরপর দিদিমা মারা গেলে সূর্যর দায়িত্ব গিয়ে পরে ঠাকুমার উপর।এমতাবস্থায় বিশেষভাবে সক্ষম ছেলে বোঝা হয়ে যাচ্ছে বলে মনে করে প্রথমে ছেলে অনাথ আশ্রমে দিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে সোনালাল মান্ডি,কিন্তু তা করে উঠতে না পেরে ছেলেকে খুন করার পরিকল্পনা করে সোনালাল মান্ডি।সেই মতো ছেলেকে কলাদিঘীর পারে নিয়ে গিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করার পর দেহ সেখানেই ফেলে চলে আসে সোনালাল মান্ডি।পরের দিন দেহ দেখতে পেয়ে মেমারী থানাকে খবর দেন স্থানীয়রা,পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিকেলে পাঠায়।
