মন্দারমনি এলাকায় বারবার অবৈধভাবে হোটেল, রিসর্ট বা দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠে আসে। তৎপর হয় জেলা পুলিশ। নতুনভাবে এই অবৈধ হোটেল ও রিসর্টগুলির নির্মাণ কাজ চলছিল। যা নিয়ে মন্দারমনি থানায় অভিযোগ জমা পড়ে। অভিযান চালায় মন্দারমনি থানা পুলিশ। নির্মাণ কর্মী, ঠিকাদার-সহ মোট ৩২ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
advertisement
এ বিষয়ে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মিতুন কুমার দে সাংবাদিক সম্মেলন করে জানান, সিআরজেড এলাকায় অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান চলছে। নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মন্দারমনি কোস্টাল থানা অভিযান চালায়। মোট ৩২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বেআইনিভাবে হোটেল ও রিসর্ট নির্মাণ কাজ চলছিল সিআরজেড নিয়ম না মেনে।
তিনি আরও বলেন, মন্দারমনি অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র। সেই পর্যটন কেন্দ্রের সুস্থ পরিবেশ বজায় রাখতে তৎপর পুলিশ। আগামী দিনেও মন্দারমনি-সহ বিভিন্ন এলাকায় সিআরজেড নিয়ম ভেঙে যারাই অবৈধ নির্মাণ গড়বে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
প্রসঙ্গত, এর আগেও মন্দারমনিতে হোটেল রিসর্ট গড়ে ওঠার পিছনে অভিযোগ কোস্টাল রেগুলেশন অ্যাক্ট মানা হয়নি। মন্দারমণিতে শেষ কয়েক বছরে গড়ে ওঠা বেশ কিছু হোটেল, রিসর্ট, দোকান বেআইনিভাবে গড়ে উঠেছে বলেই প্রশ্ন তুলেছে জাতীয় পরিবেশ আদালত। ২০২৪ সালে নভেম্বর মাসে জাতীয় পরিবেশ আদালতের নির্দেশ মেনে এবার মন্দারমণিতে ১৪০টি হোটেল ভাঙার নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।
মন্দারমনি থানা এলাকার চারটি মৌজায় ওই হোটেলগুলি ভেঙে ফেলার বিষয়ে স্টে অর্ডার এসেছিল। অভিযোগ, এবার আরও বেশ কিছু হোটেল এবং রিসর্ট অবৈধভাবে নির্মাণ হচ্ছিল। তাদের বিরুদ্ধেই অভিযান চালাল পুলিশ।






