একসঙ্গে দেখতে পাবেন, হাইব্রিড টি, ফ্লোরিবুন্ডা, মিনিয়েচার, ক্লাইম্বিং এবং ওল্ড গার্ডেন রোজ। এছাড়াও জনপ্রিয় ডাবল ডিলাইট, আইসবার্গ, জুলিও ইগলিসিস, কুইন মেরি, সোলারি, পার্পল রেইন প্রজাতির গোলাপ ফুল।
আরও পড়ুন: বলুন তো কোন ভিটামিনের অভাবে রাতে ঘুমের মধ্যে মুখ দিয়ে লালা ঝরে? কোন সমস্যার লক্ষণ? এখনই জানুন
advertisement
পাঁশকুড়ার পরিচয় ফুল দিয়ে। বর্তমানে ফুলের জন্য বিখ্যাত হয়েছে পাঁশকুড়া। শুধু শীতকালে ফুল চাষ নয় সারা বছরই পাঁশকুড়ার নানান জায়গায় ফুল চাষ হয়। পাঁশকুড়ার কংসাবতী নদীর তীরবর্তী গ্রাম পারলঙ্কা। এলাকার উর্বর মাটিতে সারা বছরই চাষ হয় গোলাপ। মাঠের পর মাঠ গোলাপ ফুলে ঘেরা। বিভিন্ন ধরনের গোলাপ ফোটে। আর এই গ্রামটি গোলাপের জন্যই পরিচিত।
গোলাপ চাষ এখানকার কৃষকদের অন্যতম প্রধান জীবিকা। এই কৃষকেরা শুধুমাত্র গোলাপ চাষের মধ্যে আর সীমাবদ্ধ থাকতে চায় না। গোলাপ চাষের খ্যাতি ছড়িয়ে দিতে আয়োজন করেছে রোজ ফেস্টিভ্যাল। যেখানে নানান ধরনের গোলাপের সঙ্গে পরিচয় ঘটছে সাধারণ মানুষের।
এই গোলাপ ফেস্টিভ্যালের অন্যতম আয়োজক অনুপম মাইতি জানান, “পাঁশকুড়ার ফুলচাষ বর্তমানে সাধারণ মানুষের মনে ধরেছে। ফুলের সৌন্দর্য দেখতে নানান জায়গা থেকে মানুষ ছুটে আসছে পাঁশকুড়ায়। পাঁশকুড়ার কংসাবতীর তীরে অন্যান্য ফুলের পাশাপাশি গোলাপ ফুলের চাষ সারা বছর হয়। গোলাপ ফুলের জন্য বিখ্যাত পারলঙ্কা গ্রাম। এই গ্রামের প্রধান চাষ গোলাপ ফুল। এই গোলাপ ফুল নিয়ে ফেস্টিভ্যালের আয়োজন করা হয়েছে। যার মূল উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষকে নানান ধরনের গোলাপের সঙ্গে পরিচয় করে দেওয়া। এর পাশাপাশি অন্যান্য অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।”
এই রোজ ফেস্টিভালে শুধুমাত্র গোলাপ দেখা নয়। হাতে-কলমে গোলাপের প্রশিক্ষণ পাওয়া যাচ্ছে। এর পাশাপাশি গোলাপ চাষের জন্য বইও পাওয়া যাচ্ছে। উদ্যোক্তারা পর্যটকদের জন্য গোলাপ চারা ফ্রিতে দেওয়ারও আয়োজন করেছে। সব মিলিয়ে এই রোজ ফেস্টিভালে একসঙ্গে নানান প্রজাতির গোলাপ দেখার যেমন সুযোগ রয়েছে তেমনি বাড়িতে চারাগাছ এনে গোলাপ ফুটিয়ে তোলার সুযোগ করে দিয়েছে উদ্যোক্তারা। পাঁশকুড়ার পারলঙ্কা গ্রামে এলেই দেখতে পাবেন মাঠের পর মাঠে বিভিন্ন প্রজাতির গোলাপ ফুল।





