শুক্রবার রাতে আচমকাই বদলে যায় আবহাওয়া। অন্ধকারের বুক চিরে নেমে আসে কালবৈশাখী। শুরু হয় প্রবল ঝড়-বৃষ্টি। চলে শিলাবৃষ্টিও। এক রাতের ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় চোপড়া ব্লকের ঘিরনীগাঁও গ্রাম পঞ্চায়েতের বেশ কিছু এলাকা। চৈত্রের কালবৈশাখীর আতঙ্কের ছাপ যেন বাসিন্দাদের মধ্যে ভেসে উঠছে বারংবার। ঘরবাড়ি খুইয়ে খোলা আকাশের নীচে ঠাঁই হয়েছে বহু পরিবারের।
advertisement
বাড়ির উপর ভেঙে পড়েছে গাছ
ঝড়বৃষ্টির পর থেকে এলাকায় বিদ্যুৎ পরিষেবা বিচ্ছিন্ন। কালবৈশাখীর প্রবল বাতাসে ছিঁড়ে গিয়েছে বিদ্যুতের বহু তার। গোটা ব্লকের প্রায় ১০০টি বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়েছে বলে জানা যাচ্ছে। বিদ্যুৎহীন এলাকায় পরিষেবা সচল করতে সকাল থেকে মেরামতের কাজ শুরু করে দিয়েছেন বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীরা।
শিলাবৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ায় ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিঘার পর বিঘা গম ও ভুট্টা চাষের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সূর্যের আলো ফুটতেই স্পষ্ট হয়েছে। ফসলের ক্ষতি হওয়ায় স্থানীয় চাষিরা বড়সড় লোকসানের মুখে পড়েছেন।
দুর্যোগ কাটতেই সকাল থেকে এলাকা পরিদর্শন শুরু করেন ঘিরনীগাঁও গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সকিমুল ইসলাম। প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিষয়টি ব্লক প্রশাসনের নজরে নিয়ে আসা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন উপপ্রধান।
