প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় দফার অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পরেও দেখা যায়, এখনও তৃণমূলের ৯ প্রার্থীর নাম ‘আন্ডার অ্যাডজুডিকেশনের’ তালিকায়৷ প্রথম দফার তালিকায় শশী পাঁজা, কাজল শেখ-সহ আরও একাধিক তৃণমূল নেতার নাম ছিল না৷ দ্বিতীয় প্রকাশ পেয়েছে শশী পাঁজা, কাজল শেখের নাম৷ এদিকে দ্রুত এগিয়ে আসছে মনোনয়ন পেশের দিন-ক্ষণ। এই পরিস্থিতিতে কবে নিষ্পত্তি হবে বাকি প্রার্থীদের নামের? আগেই প্রশ্ন তোলা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। দ্রুততার সঙ্গে বিষয়টি দেখার জন্য শুক্রবারই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লেখে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস।
advertisement
আরও পড়ুন: বিজেপি নেত্রীর স্বামীকে দায়িত্ব থেকে সরাল কমিশন, তৃণমূলের অভিযোগের পরই মালদহের পুলিশ পর্যবেক্ষক বদল
প্রাথমিক তালিকা অনুযায়ী দেখা গিয়েছিল উত্তর দিনাজপুরের গোয়ালপোখর, মালদহের মোথাবাড়ি, মুর্শিদাবাদের সমশেরগঞ্জ, লালগোলা, নওদা, কলকাতার শ্যামপুকুর, হুগলির চণ্ডীতলা, উত্তরপাড়া, উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা এবং বীরভূমের হাসন– এইসব আসনের প্রার্থীদের নাম গতকাল পর্যন্ত ‘বিবেচনাধীনের’ আওতায়।
আরও পড়ুন: ক্ষমতায় এলে ৪৫ দিনে সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জমি দেবে বিজেপি সরকার! ঘোষণা অমিত শাহের
উপরোক্ত আসনগুলির মধ্যে ছ’টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ প্রথম দফায় এবং বাকি পাঁচটি কেন্দ্রে দ্বিতীয় দফায়। প্রথম দফার ভোটের জন্য মনোনয়ন পেশের শেষ দিন ৬ এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার ভোটের জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়া যাবে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত। যেহেতু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিই ‘বিবেচনাধীন’ তালিকা নিষ্পত্তির কাজের তত্ত্বাবধান করছেন, তাই তাঁকেই চিঠিটি লিখেছে তৃণমূল। যদিও রাতে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা বেরোলে জানা যায় শশী পাঁজা, কাজল শেখের নাম উঠেছে দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি লিস্টে।
