ক্লাব সদস্যদের কয়েক মাসের কঠোর পরিশ্রমে সেজে উঠেছে এই মণ্ডপ। প্রতিবছর নতুন কিছু করার চেষ্টা করে এই ক্লাব। এবছর তারা ৫০ বছরে পদার্পণ করেছে। তাই আয়োজনেও রয়েছে বিশেষ চমক। বাঁশ, কাঠ ও প্লাই দিয়ে তৈরি হয়েছে মণ্ডপের কাঠামো। তার ওপর রঙের সূক্ষ্ম ব্যবহার নজর কেড়েছে সকলের। আলোর খেলা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে সৌন্দর্য। সন্ধ্যা নামতেই যেন অন্য এক জগৎ তৈরি হচ্ছে মণ্ডপ চত্বরে। ছোট ছোট আলো আর রঙের মেলবন্ধন দর্শকদের মুগ্ধ করছে। শুধু মণ্ডপ নয়, প্রতিদিন থাকছে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। স্থানীয় শিল্পীরা গান, নাচ ও আবৃত্তি পরিবেশন করছেন।
advertisement
আরও পড়ুন: খেলতে খেলতেই হবে পড়াশোনা, মায়েদের ম্যাজিক টোটকা শিখিয়ে দিল বিদ্যালয়! ছোটদের শিক্ষায় মিলল নতুন দিশা
পাশাপাশি রয়েছে বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচি। রক্তদান শিবির, বস্ত্র বিতরণ ও সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। ক্লাব কর্তৃপক্ষ মতে, পুজো মানেই শুধু আনন্দ নয়। সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতাও রয়েছে। তাই এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পার্শ্ববর্তী ১০ থেকে ১৫ টি গ্রামের মানুষ প্রতিদিনই ভিড় জমাচ্ছেন এই মণ্ডপে। অভিনব শিল্প কর্মে সেজে উঠেছে গোটা মণ্ডপ। ক্লাবের সম্পাদক অনুবেশ মাইতি জানান, “আমরা প্রতি বছরই নতুন থিম নিয়ে কাজ করি। গত ৫০ বছর ধরে এই ধারা বজায় রেখেছি। এবছর ‘রং’ থিম বেছে নিয়েছি বসন্তের অনুভূতি তুলে ধরতে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
রঙের মাধ্যমে আনন্দ ও ঐক্যের বার্তা দিতে চাই। আমাদের লক্ষ্য মানুষকে কিছুটা আনন্দ দেওয়া। সেই সঙ্গে সমাজের জন্য কিছু করা।” সব মিলিয়ে, বসন্তের রঙিন আবহে দুলালপুর নেতাজি সংঘের এই উদ্যোগ শুধু একটি পুজো নয়, এক অনন্য অনুভূতির প্রকাশ। থিম, আলোকসজ্জা ও সামাজিক বার্তার সুন্দর মেলবন্ধন দর্শকদের মন ছুঁয়ে যাচ্ছে। ৫০ বছরের এই যাত্রায় তারা যে ঐতিহ্য ও সৃজনশীলতার পরিচয় দিয়েছে, তা আগামী দিনেও একইভাবে মানুষের মনে জায়গা করে নেবে, এমনটাই আশা ক্লাব সদস্যদের।





