স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মন্দিরের দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে তারা দুষ্কৃতীরা। এরপর একে একে গহনা, নগদ টাকা এবং পিতলের বাসনপত্র নিয়ে যায়। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রায় ৪ ভরি সোনার গয়না খোয়া গেছে। পাশাপাশি নগদ প্রায় ৯০ হাজার টাকাও নিয়ে যায় চোরেরা। শুধু তাই নয়, প্রায় এক কুইন্টাল পিতলের বাসনপত্রও চুরি হয়েছে বলে অভিযোগ। সব মিলিয়ে চুরির পরিমাণ আনুমানিক ১০ লক্ষ টাকার কাছাকাছি বলে প্রাথমিক অনুমান মন্দির কর্তৃপক্ষের।
advertisement
‘দোষ দেবেন না,আমার সব ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে…’ মুর্শিদাবাদের অশান্তি নিয়ে মুখ খুললেন মমতা
‘অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গে এবার একই দলের সরকার!’ রাজ্যে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে চলেছে বিজেপি, দাবি শাহের
মন্দির কমিটির সভাপতি জীবনকৃষ্ণ সাঁতরা বলেন, “সামনেই মন্দিরের বার্ষিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেই কারণে প্রণামী বাক্সে প্রচুর অর্থ জমা ছিল। তবে এখনও পর্যন্ত সেই অর্থের পূর্ণ হিসাব করা হয়নি। অভিযোগ, দুষ্কৃতীরা প্রণামী বাক্সটিও নিয়ে পালিয়ে যায়। ফলে ঠিক কত টাকা চুরি হয়েছে, তা স্পষ্টভাবে বলা সম্ভব হচ্ছে না। তবে আনুমানিক ৯০ হাজার টাকা হবে।” ভোটের আগে এমন ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে গ্রামবাসীদের মধ্যে। রাতের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
ঘটনার খবর পেয়ে রামনগর থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। গোটা ঘটনা ঘিরে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যে মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। ভোটের আবহে রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় এই ধরনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।